
ফ্রান্সের ডানপন্থী রাজনীতিক এরিক জেমুর শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। তিনি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং বেকার বিদেশীদের, এমনকি তারা বৈধভাবে বসবাসকারী হলেও দেশ থেকে তাদের বের করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ স্থানে থাকা রিকনকোয়েস্ট পার্টির নেতা জেমুর বিএফএমটিভিকে বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হব।’
আগামী বছর প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ক্ষমতায় যাওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ দেখছেন ডানপন্থী প্রার্থী মেরিন লি পেন। এর মধ্যেই জেমুর নির্বাচনী দৌড়ে যোগ দিলেন। দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় সরকারি পদে থাকার ওপর লি পেনের নিষেধাজ্ঞা ছিল। তবে জুলাইয়ে একটি আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দেয়।
অভিবাসন বিরোধী ন্যাশনাল র্যালি পার্টির এই অভিজ্ঞ রাজনীতিক গত দুই নির্বাচনে ম্যাক্রোঁর কাছে রানারআপ হন। বিভিন্ন জনমত জরিপে আগামী নির্বাচনের প্রথম দফায় তাকে এগিয়ে রাখা হয়েছে।
জেমুর অভিবাসন বন্ধের পাশাপাশি বিদেশীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নীতি সমর্থন করেন।
তিনি বলেন, ‘সব বিদেশী অপরাধীকে দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। তারা কারাগারে না থাকলেও।’
তিনি আরো বলেন, ‘অবশ্যই অনিবন্ধিত অভিবাসীদেরও ফেরত পাঠাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে যারা বেকার, তাদেরও ফেরত পাঠাতে হবে। যারা পুরোপুরি সরকারি কল্যাণ ভাতার ওপর নির্ভরশীল, তাদেরও ফেরত পাঠাতে হবে।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর জনমত জরিপেও আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় লি পেনকে এগিয়ে দেখানো হয়েছে।
এ সপ্তাহের শেষে প্রকাশিত একটি জরিপে বলা হয়েছে, মধ্যপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার ফিলিপ লি পেনের সাথে দ্বিতীয় দফায় যেতে পারেন। তবে এর জন্য তার মধ্যপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাব্রিয়েল আত্তালকে সরে দাঁড়াতে হবে।
অন্যথায় কট্টর বামপন্থী নেতা জ্যাঁ-লুক মেলঁশঁ প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন লি পেন। ১৩ হাজার ভোটারের ওপর চালানো জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সূত্র : এএফপি/বাসস







