
আশুলিয়া চাঁদা না দেয়ায় একটি সোয়্টাার কারখানায় হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে ভুক্তভোগীকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমানে প্রায় ১১০০ জন শ্রমিকসহ নিজের জীবন নিয়ে শঙ্কিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আহাদুজ্জামান। শুধু তাই নয়, কারখানায় কাজ বন্ধ থাকায় যেকোনো সময় শ্রমিক অষন্তোসের আশঙ্কাও করছেন তিনি।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এন ডি কারখানার চেয়ারম্যান আহাদুজ্জমান এসব কথা বলেন।
গত ১৭ বছরের বেশি সময় থেকে আশুলিয়া থানাধীন মধ্য গাজিরচট রশিদ মার্কেট এলাকায় জমি কিনে সেখানে বিল্ডিং সেড নির্মাণ করে এন ডি সোয়েটার ফ্যক্টরি পরিচালনা করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় ছাত্রদল সভাপতি পরিচয় দিয়ে মো: সানোয়ারসহ কবির হোসেন শিশির, মো: মোখেলেছ, মো: জালাল, তোফাজ্জল হোসেন, সোহেল খন্দকার ও রকিসহ কয়েকজন তার অফিসে গিয়ে প্রথমে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ওই টাকা দিতে না চাইলে তারা এক কোটি টাকা দাবি করে। কিন্তু তাদের দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় গত ২২ তারিখ সকালে আরো ৪০/৫০ কিশোর গ্যাং সদস্য মাথায় হেলমেট পরে কারখানায় হামলা চালায়। তারা রামদা লোহার রড, সাবল, হাতুড়ি, হামার, হকিস্টিক, লাঠি সোটা সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফ্যক্টরির উত্তর পাশের বিল্ডিং সেডের ওয়াল ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। শ্রমিকদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সোয়েটারের সুতা, সোয়েটারের বডি, বিভিন্ন এক্সোসরিজসহ প্রায় ৪০ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়া যায়। পরে ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ ও এসআরবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে দুর্বৃত্তদের বের করে দেয়। কিন্তু পরেরদিন পুনরায় তারা হামলা চায়। এই ঘটনায় আশুলিয়া থানা গেলে পুলিশ মামলা জিডি গ্রহন করে। পরে ওসি আদালতে গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেন।
আহাদুজ্জামান জানান, দুর্বৃত্তদের হুমকি ও পুলিশের কর্মকাণ্ডে ১১০০ শ্রমিকসহ নিজের জীবন নিয়ে চরম শঙ্কিত অবস্থায় রয়েছেন। কারখানাও বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় শ্রমিক অসন্তোষ ঘটারও আশঙ্কা রয়েছে। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
এ ব্যাপারে জানতে ছাত্রদল নেতা পরিচয়দানকারী সানোয়ারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে আশুলিয়া থানার ওসি মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








