
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফোনে ডেকে নিয়ে চয়ন (৪০) নামের এক চপ-পেঁয়াজু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাতনামা এক ভ্যানচালক তার লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
নিহত চয়ন আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী কৃষি ক্লাব পাড়ার গদোর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে চপ-পেঁয়াজু বিক্রি করতেন।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টা ১৩ মিনিটে চয়নের ছেলে মারুফের ফোনে কল দেয় ওসমানপুর গ্রামের ইয়ামিনের ছেলে হেলাল।
ফোনে সে জানায়, ‘তোর বাপের কাছে টাকা পাব, তোর দাদাকে সাথে নিয়ে স্ট্যাম্পসহ চলে আয়।’ ফোন পেয়ে চয়নের পরিবারের সদস্যরা ওসমানপুর গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয়রা জানায় চয়ন মারা গেছেন। পরবর্তীতে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে একটি অজ্ঞাত ভ্যানে করে চয়নের নিথর দেহ হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয় এবং লাশ রেখে ভ্যানচালক দ্রুত সটকে পড়ে।
চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে তীব্র আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জেরে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ‘ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে চয়েন উদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত হেলালকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








