
মাঠে নামার আগেই চোটের কারণে হারাতে হয়েছিল মুশফিকুর রহিমকে। তার বদলি হিসেবে একাদশে সুযোগ পান তাওহীদ হৃদয়। তবে ইনিংস বড় হলো না তারও, চোটে পড়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে। তবে এই মুহূর্তে আলোকস্বল্পতার কারণে বন্ধ আছে খেলাও।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের এখন পর্যন্ত অবশ্য ভালোই আছে বাংলাদেশ। টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৭০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২০৭ রান। যেখানে সামনে থেকে দলকে টানছেন সাদমান, সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দূরে দাঁড়িয়ে তিনি।
খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ১৬৭ বলে ৯৬ রান করেছেন সাদমান ইসলাম। অন্য প্রান্তে লিটন দাস অপরাজিত ৭ রানে। তাদের ওপর এখন নির্ভর করছে বাংলাদেশের ইনিংস আর কতটা বড় হবে।
এদিন অবশ্য টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। জেইডেন সিলসের বলে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৭ রানে ফেরেন তানজিদ হাসান। এরপর সাদমান ও মুমিনুল হকের ৫৯ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে দল।
তবে ৫১ বলে ২৮ রান করে জোমেল ওয়ারিকানের বলে শামার জোসেফের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুমিনুল। লাঞ্চে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৯৬ রান।
দ্বিতীয় সেশনে সাদমানের সাথে জুটি গড়েন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু ১৯ রান করে রিভিউয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনিও। এরপর ক্রিজে এসে সাদমানের সাথে দলের হাল ধরেন হৃদয়। দুজনের ব্যাটে বড় সংগ্রহের আশা জাগে বাংলাদেশের।
চতুর্থ উইকেটে তাদের জুটিতে যোগ হয় ৮৮ রান। চা বিরতির আগে ৩ উইকেটে ১৭৭ রান তুলে স্বস্তিতেই ছিল স্বাগতিকেরা। কিন্তু দিনের শেষ ভাগে এসে ছন্দপতন ঘটে হৃদয়ের। ৬৫তম ওভারে পেশিতে টান অনুভব করেন তিনি। মাঠেই হৃদয়কে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন ফিজিও।
কিছুক্ষণ পর ব্যাটিংয়ে ফিরলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পরের ওভারে এক রান নেয়ার পর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ ধরে বসে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেয়া হয় হৃদয়কে। ৮৪ বলে ৪২ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হন এই ব্যাটার।
হৃদয় মাঠ ছাড়ার পর ক্রিজে যান লিটন দাস। তবে আলোকস্বল্পতার কারণে তাদের জুটি এখনো জমে সারেনি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








