
আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা দারুণভাবে উজ্জীবিত বলে জানিয়েছেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তার মতে, এই সিরিজে ভালো করতে পারলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ফাইনালে ওঠার পথে বড় অগ্রগতি অর্জন করবে বাংলাদেশ।
ডব্লিউটিসির পয়েন্ট তালিকায় বর্তমানে চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবস্থান অষ্টম। নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের চলতি চক্রে বাকি রয়েছে ছয়টি ম্যাচ, যার মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি টেস্ট রয়েছে। ডব্লিউটিসির ফাইনালে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশকে অন্তত চারটি ম্যাচ জিততে হবে এবং একটি ম্যাচ ড্র করতে হবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলবে বাংলাদেশ। আগামী বছর ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে তাদের ডব্লিউটিসি অভিযান শেষ হবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্ট বুধবার শুরু হচ্ছে। এর আগে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছে বাংলাদেশ দল।
আজ সিমন্স বলেন, আমার মনে হয়, সবাই টেস্ট ম্যাচ নিয়ে খুব মনোযোগী। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার লক্ষ্য ও আকাঙ্খা আমাদের রয়েছে। এবারই প্রথমবারের মতো সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই আমার বিশ্বাস, টেস্ট ম্যাচগুলোর জন্য সবাই পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যস্ত থাকায় টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতিতে দীর্ঘ সময় পুরো দলকে একসাথে পাননি সিমন্স। তবে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের মধ্যে থাকায় খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
সিমন্স বলেন, আমরা পুরো দলকে একসাথে পাইনি, কারণ তখন একটি সিরিজ চলছিল। আমরা ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছিলাম। ওয়ানডে ও টেস্ট- দুই ধরনের ক্রিকেটে আমাদের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার সেই সিরিজে অংশ নিয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘না, পরিস্থিতি পুরোপুরি আদর্শ ছিল না। তবে খেলোয়াড়েরা বসে ছিল না, তারা ক্রিকেট খেলছিল। তাই প্রস্তুতির জন্য অনেক কিছুই হয়েছে। এখন এই দুই দিনে পুরো দলকে একসাথে নিয়ে সবকিছু গুছিয়ে নেয়াই আমাদের লক্ষ্য।’
অনুশীলনের শেষ দুই দিনে ক্রিকেটারদের মনোভাব ও প্রস্তুতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সিমন্স।
তিনি বলেন, আমরা অন্য জায়গায় খেলছিলাম, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে মূল বিষয় হলো, টেস্ট সিরিজের জন্য আমরা কিভাবে নিজেদের প্রস্তুত করছি এবং কাজগুলো কিভাবে এগিয়ে নিচ্ছি।
‘আমার মনে হয়, গত তিন-চার দিনে এখানে যারা ছিল, তারা দারুণ কাজ করেছে। তারা নিজেদের প্রস্তুতি ঠিকভাবে সম্পন্ন করেছে। এখন পুরো দল একসাথে হয়েছে। পরবর্তী দুই দিনে আমরা কী করি, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে কী ঘটছে, তা নয়; বরং দল হিসেবে প্রস্তুতির জন্য আমরা কী করছি, সেটাই আসল।’
এদিকে ফিটনেস নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও প্রথম টেস্টে লিটন দাসকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী সিমন্স। তার মতে, লিটন খেলতে পারলে দল আরো শক্তিশালী হবে।
সিমন্স বলেন, আমার ধারনা, লিটন খেলার জন্য প্রস্তুত। আগামী দুই দিনে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে আমি আপনাদের জানাব। তবে এই মুহূর্তে সে খেলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








