শেষ রানের জন্য দৌড়াচ্ছেন তিলক ভার্মা ও নিতিশ কুমার রেড্ডি
শেষ রানের জন্য দৌড়াচ্ছেন তিলক ভার্মা ও নিতিশ কুমার রেড্ডি। সংগৃহীত

শেষ তিন ওভারে ভারতের দরকার ছিল ৪৮ রান, হাতে চার উইকেট। সমীকরণ ছিল নিউজিল্যান্ডের পক্ষেই। কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচের চিত্র বদলে দেন তিলক ভার্মা ও নিতিশ কুমার রেড্ডি। তাদের ব্যাটে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে এক বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

Advertisement

ক্রাইস্টচার্চে ১৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসেছিল ভারত। একে একে ফিরে যান সঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা, বৈভব সূর্যবংশী, শ্রেয়াস আয়ার ও অক্ষর প্যাটেল। বলার মতো রান পান কেবল অভিষেক (২১ বলে ২৭)।

ভারতের রান তখনো লক্ষ্যের অনেক দূরে। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও ছিল নিউজিল্যান্ডের হাতে। এরপর ১৫তম ওভারে নামান ধীর ১৭ বলে ৩১ করে ফিরলে বড় ধাক্কা খায় ভারত। ম্যাচ হেলে পড়ে কিউইদের দিকে। কিন্তু এরপরই বদলে যায় গল্প।

সপ্তম উইকেটে তিলক ভার্মার সাথে নিতিশ কুমার রেড্ডি জুটি গড়ে তোলেন। মাত্র ৩০ বলে ৬৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন দু’জন। শেষ পর্যন্ত ২৬ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক। অন্য প্রান্তে নিতিশের ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে অপরাজিত ২৬ রান।

তাদের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়েই শেষ ওভারের আগেই জয়ের খুব কাছে পৌঁছে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত ১৯.৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। সেই সাথে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারত এগিয়ে গেল ২-০ ব্যবধানে।

এর আগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৮০ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না স্বাগতিকদের। ৪১ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েন তারা। সেখান থেকে দলকে পথ দেখান গ্লেন ফিলিপস ও বেভান জ্যাকবস।

চতুর্থ উইকেটে ৭৭ বলে ১১৬ রানের বড় জুটি গড়ে নিউজিল্যান্ডকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান তারা। ফিলিপস ৪৩ বলে ৪ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৭০ রান। জ্যাকবসের ব্যাট থেকে আসে ৪৬ বলে ৫৮ রান। শেষ পর্যন্ত ১৮০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় নিউজিল্যান্ড।

বড় সংগ্রহ পেলেও জয় ধরা দেয়নি নিউজিল্যান্ডের হাতে। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ২২৫ রান করেও হারতে হয়েছিল তাদের।