
দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথমে ব্যাট হাতে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছিল বিসিবি একাদশ। জবাব দিতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজও কম যায়নি। বাংলাদেশের ৩৭২ রানের বিপরীতে ৬ উইকেটে ৩৩৬ রান নিয়ে খেলা শেষ করে সফরকারীরা। ফলে ড্র হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বিসিবি একাদশের প্রস্তুতি ম্যাচ।
এবিজি স্পোর্টস সিটির আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দিনে ৭ উইকেটে ৩৭১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছিল বিসিবি একাদশ। ব্যাট হাতে আলো ছড়ান কালাম সিদ্দিকী। ১৮৪ বলের ইনিংসে ২০টি চার ও একটি ছক্কায় ১৩৫ রান করেন তিনি। জিসান আলম ১০০ বলে করেন ৮৬ রান।
জাকের আলী ৩০ ও রিজওয়ান ৫৯ রান করেন। আর শেষ দিকে মাত্র ৩০ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন শামীম হোসেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জেডেন বিশপ ও হজ দুটি করে উইকেট নেন।
এরপর দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৮৩ রানে এসে প্রথম উইকেট হারায় তারা। ৩৫ বলে ৪০ রান করে ফেরেন ব্র্যান্ডন কিং। ১৫১ রানে আসে দ্বিতীয় উইকেট, ৯০ বলে ৩০ রান করে আউট হন ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল।
এরপর কেভিন উইকহ্যাম ও আমির জাঙ্গু মিলে ৪১ রানের জুটি গড়েন। জাঙ্গু ফিরে যাওয়ার পরও উইকহ্যামকে চাপে রাখতে থাকে বাংলাদেশের বোলিং। একপ্রান্তে উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষের রান বাড়ার গতি থামিয়ে দেন হোসাইন।
তবে উইকহ্যামকে ফেরানো যায়নি। শেষ দিকে অধিনায়ক রোস্টন চেজকে নিয়ে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তিনি। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে শেষ পর্যন্ত আর কোনো উইকেট হারায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
৬ উইকেটে ৩৩৬ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করে সফরকারীরা। উইকহ্যাম ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন। চেজের ব্যাট থেকে আসে ৬৫ বলে অপরাজিত ৪৬ রান। ফলে ৩৫ রান পিছিয়ে থেকেই প্রস্তুতি ম্যাচ শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের লেগ স্পিনার মো: হোসাইন। তিনি শিকার করেন চার উইকেট। সফরকারীদের ব্যাটিংয়ে প্রতিরোধ গড়ে ওঠার পরও তার বোলিং ছিল বিসিবি একাদশের অন্যতম প্রাপ্তি।
দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে দুই দলই নিজেদের ক্রিকেটারদের পরখ করে নেয়ার সুযোগ পেল। আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








