ত্রিদেশীয় সিরিজ
একমাত্র পারভেজ ইমনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রান করেছেন। সংগৃহীত

২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখিয়েছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান। তাদের ৯২ রানের জুটি আশা জাগালেও লাভ হয়নি। মাত্র ১৩ রানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

Advertisement

ফাইনালে উঠতে আজ জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। তবে শুধু জয় নয়, ভালো রানরেট নিশ্চিত করার কঠিন সমীকরণও মাথায় রাখতে হচ্ছে। তবে সমীকরণ মেলানো এখন অনেকটাই কঠিন হয়ে গেছে, এক কথায় অসম্ভবও বলা যায়।

বুধবার শারজাহতে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারেই পরপর দুই বলে তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেন ইয়ামিন আহমাদজাই। তানজিদ ১ রান করে ফেরেন, সৌম্য ফেরেন গোল্ডেন ডাকে।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ২৩ বলে ১৫ রান করে আজমাতউল্লাহ ওমরজাইয়ের শিকার হন। একই বোলারের বলে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় তাওহীদ হৃদয়কে। ফলে ২৮ রানেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন সাইফ ও ইমন। শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও সময়ের সাথে জুটি জমিয়ে তোলেন দুজন। একপর্যায়ে সাইফের বিপক্ষে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন নাকচ হলে রিভিউ নিয়েও সফল হয়নি আফগানিস্তান।

পঞ্চম উইকেটে ১৩২ বলে ৯৩ রান যোগ করেন তারা। তবে ফিফটির আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয় সাইফকে। ৮২ বলে ৪১ রান করে দলীয় ১২১ রানে আউট হন তিনি। এরপর মেহেদী মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৭ বলে ২ রান করে ফেরেন তিনি।

ফিরেছেন শরিফুল ইসলামও। ৩৭.৩ ওভারে দলীয় ১৪৭ রানে রশিদ খানের শিকার হন ৭ রান করে। ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে দল। তবে অন্য প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে ফিফটি তুলে নেন ইমন। শেষ পর্যন্ত ৯৬ বলে ৭০ রান করে থামেন তিনি।

৩৯.২ ওভারে ইমন আউট হওয়ার পর আর মাত্র ৪ রান করতে পারে বাংলাদেশ। অভিষিক্ত আলিস আল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান রানের দেখা পাননি। বাংলাদেশ শেষ ৪ উইকেট হারায় ১৩ রানে, আর শেষ ৬ উইকেট হারায় ৩৯ রানের মাঝে।  

এদিন বাংলাদেশের আটজনই আউট হয়েছেন এক অঙ্কে, এর মাঝে ৪ জন রানই করতে পারেননি। রশিদ খান ৩১ রানে ৪ ও ইয়ামিন আহমাদজাই ও আজমতুল্লাহ ওমরজাই ২টি করে উইকেট নেন।