
ফাইনালের দরজা এখনো খোলা বাংলাদেশের জন্য, তবে সেই দরজা দিয়ে যেতে হলে পা ফেলতে হবে হিসাব কষে। জিম্বাবুয়ের ১৫৮ রানের বড় হারে বদলে গেছে ত্রিদেশীয় সিরিজের সমীকরণ। জিম্বাবুয়ের হার বাড়িয়ে দিয়েছে চাপ।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ৯৯ রানের বড় জয় পেয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। আফগানিস্তানের জিতলেই নিশ্চিত হয়ে যেত সব। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ আফগানদের হারালেই পেয়ে যেত ফাইনালের টিকিট।
কিন্তু জয়ের বদলে ১৫৮ রানের বড় হার এখন সমীকরণটাই বদলে দিয়েছে। ফলে আগামীকাল বুধবার শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জিতলেই হবে না, কত ব্যবধানে জিতবে, কিংবা কত দ্রুত রান তাড়া করবে, সেটিও ঠিক করে দেবে শেষ পর্যন্ত কারা খেলবে ফাইনাল।
অর্থাৎ বাংলাদেশের সামনে আগামীকালকের ম্যাচটি স্রেফ বাঁচা-মরার লড়াই নয়, জয়ের সাথে হিসাব মেলানোর লড়াইও। আফগানিস্তানকে হারাতে পারলেই তিন দলের পয়েন্ট সমান হবে। এরপর ফাইনালের দ্বিতীয় দল নির্ধারণ করবে নেট রানরেট।
বাংলাদেশ আগে ব্যাট করলে সমীকরণ নির্দিষ্ট। ৪১ থেকে ২১৬ রানের ব্যবধানে জয় বাংলাদেশকে ফাইনালে তুলবে ও জিম্বাবুয়ের বিদায় নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে ৪০ বা তার কম রানের জয় হলে বাংলাদেশের ফাইনাল নিশ্চিত হবে না।
আবার জয়টা যদি হয় ২১৭ রানের বেশি ব্যবধানে, তখন সমীকরণ নতুন করে জটিল হতে পারে। সেক্ষেত্রে জিম্বাবুয়েরও ফাইনালে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে। অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্য শুধু বড় জয়ই যথেষ্ট নয়—জয়টা হতে হবে নির্দিষ্ট ব্যবধানের মাঝে।
বাংলাদেশ পরে ব্যাট করলে হিসাবটা হবে রান তাড়া করার গতির ওপর। যেমন আফগানিস্তান যদি ২৫০ রান করে, বাংলাদেশকে ২৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে। ৪১.৩ ওভারের মাঝে সেই লক্ষ্য পেরোতে পারলে রানরেটের সমীকরণ বাংলাদেশের পক্ষে যাবে।
বর্তমানে পয়েন্ট ও রানরেটের হিসাবে আফগানিস্তান ২ পয়েন্ট ও +৩.১৬০, জিম্বাবুয়ে ২ পয়েন্ট ও -০.৫৯০, আর বাংলাদেশ ০ পয়েন্ট ও -১.৯৮০-এ আছে। ফলে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণ একেবারেই পরিষ্কার—জিততে হবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে, তবে সেই জয় হতে হবে হিসাব কষে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








