মোহাম্মদ রিজওয়ান, পাকিস্তান
মোহাম্মদ রিজওয়ান। ফাইল ছবি

অবশেষে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি পেয়েছেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। আসন্ন প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড-১ ২০২৬-২৭ টুর্নামেন্টের শেষ রাউন্ডে তিনি সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের (এসএনজিপিএল) অধিনায়কত্ব করবেন। প্রতিপক্ষ খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ (কেআরএল)।

Advertisement

শনিবার (১৭ অক্টোবর) জিও নিউজ জানিয়েছে, এসএনজিপিএলের ক্রিকেট পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিচালকের ছাড়পত্র পাওয়ার পর রিজওয়ান ১৯ অক্টোবর থেকে দলের হয়ে খেলবেন।

আট দলের এই প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্টে রিজওয়ানের খেলা আগে আটকে ছিল। অনলাইন বেটিং ও জুয়ার অভিযোগের একটি তদন্ত চলছে। তার না খেলার কারণ ফিটনেস টেস্টের ফল নয়, এই তদন্তই বলে শুরুতে জানা গিয়েছিল।

রিজওয়ানের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট সিরিজের মাঝপথে পাকিস্তান দল থেকে বাদ পড়ার পর তিনি এসএনজিপিএল দলে যোগ দেন। শান মাসুদের অনুপস্থিতিতে তার অধিনায়কত্ব করার কথা ছিল।

৩৪ বছর বয়সী এই ব্যাটার এসএনজিপিএলের অনুশীলনে অংশ নেন। দলের সভাতেও ছিলেন। এরপর পিসিবি বিভাগটির সাথে যোগাযোগ করে। তদন্তের কথা বলে তাকে ফেরত পাঠাতে নির্দেশ দেয়।

বিভাগের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পরে তাকে বোর্ডের এই নির্দেশের কথা জানায়। এরপর তিনি লাহোরে যান।

সূত্রগুলোর দাবি, পিসিবি হস্তক্ষেপের আগে এসএনজিপিএল রিজওয়ানের ফিটনেস টেস্ট নিতে প্রস্তুত ছিল। তারা আরো বলছে, ইংল্যান্ড থেকে টেস্ট সিরিজ শেষে ফেরা পাকিস্তানের অন্য ক্রিকেটারদের এমন কোনো টেস্ট দিতে হয়নি।

এদিকে ইসলামাবাদের সূত্র বলছে, এ সপ্তাহের শুরুতে রিজওয়ান ও পিসিবির মধ্যে যোগাযোগ আবার শুরু হয়। তবে তারা পরিষ্কার করেছে, প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে খেলার অনুমতি চেয়ে রিজওয়ান বোর্ডের কাছে যাননি।

বরং তিনি নেপাল প্রিমিয়ার লিগে খেলার জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) চেয়ে পিসিবির সাথে যোগাযোগ করেন। জানা গেছে, ওই টুর্নামেন্টের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে তার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত।

এ সময় এসএনজিপিএল কর্তৃপক্ষ রিজওয়ানের সাথে যোগাযোগ করে। তারা তাকে প্রেসিডেন্টস ট্রফির শেষ রাউন্ডের জন্য দলে ফিরতে বলে।

নেপাল প্রিমিয়ার লিগের এনওসি নিয়ে পিসিবির জবাবের অপেক্ষায় আছেন রিজওয়ান। সূত্রের ধারণা, প্রেসিডেন্টস ট্রফি শেষ হলে বোর্ড ছাড়পত্র দিতে পারে। কারণ পাকিস্তানে ঘরোয়া প্রতিযোগিতা চলাকালে বিদেশী লিগের এনওসি দিতে বোর্ড অনিচ্ছুক।