তাসকিন আহমেদ, বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে, ত্রিদেশীয় সিরিজ, ব্যাটিং
সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন আহমেদ। সংগৃহীত
শুরুতেই জিম্বাবুয়ের তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি দল। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে ২৭১ রানে আটকে দেয়ার পর লক্ষ্যটা ছিল নাগালের মাঝেই।
 
তবে জবাব দিতে নেমে দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। হেরে যায় ৯৯ রানের বিশাল ব্যবধানে। এই হারের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে ব্যাটারদেরই কাঠগড়ায় তুললেন তাসকিন আহমেদ।
 
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘২৭২ রানের লক্ষ্য এ কন্ডিশনে তাড়া করার মতোই ছিল। কিন্তু নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যাট করতে পারেনি দল।’ 
 
তাসকিনের ভাষায়, ‘জিম্বাবুয়ের সাথে অন্তত ২৭০ অবশ্যই তাড়া করার মতো ছিল। এ কন্ডিশনে আমাদের আসলে তাড়া করা উচিত ছিল। আমরা আসলেই ভালো খেলিনি।’
 
বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল আশাব্যঞ্জক। সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসানের ব্যাটে উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪৭ রান। কিন্তু সে জুটি ভাঙার পরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। এরপর আর কোনো জুটি প্রতিরোধ গড়তে পারেনি।
 
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। শেষ দিকে তাসকিন ও রিশাদ হোসেনের ২৬ বলে ৩২ রানের জুটিই কেবল কিছুটা লড়াইয়ের আশা জাগায়।তাসকিনের মতে, একটি ভালো জুটিই ম্যাচের গল্প বদলে দিতে পারত। 
 
তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমরা একটাও জুটি গড়তে পারিনি। একটা জুটি হলেই খেলাটা বের হয়ে যেত। বোলিংয়ে ধারাবাহিকতা আগের চেয়ে বেড়েছে। ব্যাটারদেরই আজ জেতানো উচিত ছিল, কিন্তু পারেনি।’‘
 
শুধু একটি ম্যাচের ব্যর্থতা হিসেবে বিষয়টিকে দেখছেন না তাসকিন। চাপের সময় দল হিসেবে দ্রুত ভেঙে পড়ার প্রবণতাটাই বড় সমস্যা বলে মনে করেন তিনি। ব্যাটারদের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন না তুলে পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন এই পেসার।
 
তাসকিন বলেন, ‘স্কিল সবারই আছে। প্রতিটি ব্যাটার প্রমাণ করেছে, তারা ভালো ব্যাট করতে পারে। কিন্তু চাপের মুখে আমরা দল হিসেবে খুব দ্রুত ভেঙে পড়ি। এই জায়গা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’
 
জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর বাংলাদেশের সামনে এখন শেষ ম্যাচ। ফাইনালের দৌঁড়ে টিকে থাকতে সেই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। হতাশার এ হার থেকে শিক্ষা নিয়ে শেষ সুযোগটি কাজে লাগাতেই এখন তাকিয়ে বাংলাদেশ।