
বিপদে বাংলাদেশ। তিন অঙ্কে পৌঁছুতেই নেই ভেঙে গেছে ইনিংসের মেরুদণ্ড, হারিয়ে ফেলেছে ৫ উইকেট। জয় থেকে এখানো অনেকটা পথ বাকি টাইগারদের। এখনো ১৬৪ বলে চাই ১৫৪ রান, হাতে ৫ উইকেট।
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে শনিবার টসে জিতে আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে। শুরুতে চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় তারা। জবাবে ২২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২২/৫।
২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় তানজিদ হাসান তামিমের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ভালোভাবেই এগোচ্ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সৌম্য সরকার ফেরার পর দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে দলটি। ২১ রানের মাঝে হারায় ৩ উইকেট।
সপ্তম ওভারে থামে উদ্বোধনী জুটি। মুজারাবানির বাউন্সারে ব্যাট চালিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন সৌম্য। বেনেটের হাতে ধরা পড়ার আগে ১৭ বলে ৯ রান করেন তিনি। ৪৭ রানে ভাঙে বাংলাদেশের প্রথম জুটি। তবে তানজিদের ব্যাট চালাতে থাকেন।
৭.৩ ওভারে দলীয় পঞ্চাশ পূর্ণ করে বাংলাদেশ। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৩৮ বলে ৯ চার ও এক ছক্কায় ৪৬ রান করা তানজিদ নেউম্যান নায়ামারির বলে পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। দুর্দান্ত দক্ষতায় তালুবন্দি করেন রায়ান বার্ল।
তানজিদের বিদায়ের পরের ওভারেই আবার আঘাত। ইভান্সের ফুলার লেন্থের বলে এলবিডব্লিউ হন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৮ বলে ৪ রান করে ফেরেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। তিন বলের ব্যবধানে দুই উইকেট হারিয়ে ১১ ওভারে ৩ উইকেটে ৭২ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ।
সেখান থেকে ম্যাচটা ধরে রাখার চেষ্টা করেন সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়। দুজনের ব্যাটে ধীরে ধীরে ইনিংস গুছিয়ে ওঠার আভাস মিলছিল। কিন্তু সিকান্দার রাজা এসে আবারও সেই ছন্দ ভেঙে দেন। এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তাওহীদ।
প্রথমে আম্পায়ার সাড়া না দিলেও রিভিউ নিয়ে সফল হয় জিম্বাবুয়ে। ২১ বলে ১৩ রান করে ফেরেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। থিতু হতে পারেননি মোসাদ্দেকও, দলীয় ১১২ রানে মাসাকাদজার শিকার হন ১৮ বলে মাত্র ১১ রান করে।
এই মুহূর্তে মাঠে আছেন সাইফ হাসান ও নুরুল হাসান। সাইফ ৩০ বলে ২২ ও সোহান ১ রানে ব্যাট করছেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








