
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স। অভিষেক ম্যাচ রাঙানোর সুযোগও পেয়েছিল তারা, আগে ব্যাটে করে গড়েছিল চ্যালেঞ্জিং পুঁজিও। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।
রবি বোপারার ব্যাটিং তাণ্ডবে বাংলাদেশের লড়াই বেশিক্ষণ টিকেনি। তার ৪৫ বলে ৭৭ রানের অপরাজিত ইনিংসেই হেরে গেছে সাবেক টাইগাররা। ২৩ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে জিতেছে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স।
সোমবার (৫ অক্টোবর) শারজায় টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ। শুরুটা মন্দ ছিল না। ইমরুল কায়েস দ্রুত ফিরলেও রনি তালুকদার ও ফজলে মাহমুদ রাব্বি রানের গতি সচল রাখেন। রনির ৩৭ বলে ৪৪ রান ছিল ইনিংস সর্বোচ্চ।
এছাড়া রাব্বি ১৬ বলে করেন ২৬ রান। জহুরুল ইসলামের ব্যাটে আসে ১৮ বলে ১৬। এরপরই ছন্দ হারায় দল, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা কমে যায়। ১৫.৩ ওভারে ১১৫ রানেই হারিয়ে ফেলে ৮ উইকেট।
তবে শেষ দিকে আরাফাত সানি ও আবু জায়েদ রাহি অবশ্য ইনিংসটা সামলে নেন। সানি ১২ বলে ১৫ রান করে ফিরলেও রাহির ১৬ বলে ৩১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৪ রান তোলে বাংলাদেশ।
ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল সামিত প্যাটেল। তিনি নেন ৪ উইকেট। রায়ান সাইডবটমের শিকার ২ উইকেট।
জবাবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ইংল্যান্ড। বোপারার সাথে ডেভিড মালানের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ২৯ রান। মালান ১১ বলে ১৮ রান করে ফিরলেও ইংল্যান্ডের রান তোলার গতি কমেনি।
জেসন রয় ৯ বলে ১৫ রান করে এনামুল হক জুনিয়রের বলে বোল্ড হন। এরপর সামিত প্যাটেলও ১৫ বলে ১২ রান করে ফেরেন। ইংল্যান্ডের সংগ্রহ তখন ১১.২ ওভারে ৯৬/৩।
তবে থামেননি বোপারা। এক প্রান্ত আগলে রেখে ধীরে ধীরে ইনিংস বড় করেন তিনি।
ফিফটি পূরণের পর আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এ অভিজ্ঞ ব্যাটার। শেষ দিকে বোপারার সাথে যোগ দেন ফিল মাস্টার্ড। এরপর বাংলাদেশের বোলারদের ওপর শুরু হয় পাল্টা আক্রমণ। ঝড়ে দ্রুতই জয়ের সমীকরণ সহজ করে ফেলেন তারা।
শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে ৭৭ রানে অপরাজিত থাকেন বোপারা। মাস্টার্ড ১৭ বলে করেন ৩৭ রান। তাদের ব্যাটিংয়েই ১৬৪ রানের লক্ষ্য ১৬.১ ওভারে পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স।
বাংলাদেশের হয়ে আবু জায়েদ রাহি, এনামুল হক জুনিয়র ও জিয়াউর রহমান একটি করে উইকেট নেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








