
স্বর্ণ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এশিয়ান গেমসে পূর্ণ শক্তির দল পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। স্বর্ণ না হোক, অন্তত আগের আসরের ব্রোঞ্জ ধরে রাখার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু জাপানের আইচি-নাগোয়ায় সেই প্রত্যাশার কিছুই পূরণ হয়নি।
পাকিস্তানের কাছে সেমিফাইনালে হারের পর এবার শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৩ রানে হেরে ব্রোঞ্জও হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ। দলের এমন ব্যর্থতার পর সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে অধিনায়ক লিটন দাসকে ঘিরে।
ব্যাট হাতে দীর্ঘ সময় ধরে রানখরায় থাকা এই ওপেনার শেষ পাঁচ আন্তর্জাতিক ইনিংসের চারটিতেই ফিরেছেন শূন্য রানে। অন্য ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ২ রান।
অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে চোটে ছিলেন লিটন। তাকে ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে সমস্যায় পড়বে—এমন আলোচনাও ছিল। শেষ পর্যন্ত চোট কাটিয়ে দলে ফেরেন তিনি এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলেন।
ডারউইন টেস্টের একমাত্র ইনিংসে ১২ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি লিটন। এরপর ম্যাকাই টেস্টে দুই ইনিংসেই ফেরেন শূন্য রানে। প্রথম ইনিংসে ৫ বল ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি।
এরপর এশিয়ান গেমসে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামেন লিটন। বৃষ্টিতে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থেকে সরাসরি সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ।
সেখানে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬ উইকেটে হারের ম্যাচে লিটন করেন মাত্র ২ রান, খেলেন ৩ বল। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গতকাল আবারো বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। ১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিমকে হারায় দল।
এরপর অধিনায়ক লিটনের ওপর ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা। কিন্তু ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে সে আশাও শেষ করে দেন তিনি। ফেরেন কোনো রান না করেই।
ফলে শেষ পাঁচ ইনিংসে চারটি শূন্য আর একবার ২ রান—লিটনের সাম্প্রতিক ব্যাটিং পরিসংখ্যান এখন এমনই। এশিয়ান গেমসে দলের ব্যর্থতার পর অধিনায়কের ব্যাটিং নিয়েও তাই সমালোচনা আরো তীব্র হয়েছে।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








