
২০১০ সালে গুয়াংজুতে ক্রিকেটের সোনা জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর ২০১৪ সালে ব্রোঞ্জ, ২০২৩ সালেও ব্রোঞ্জ—সোনার পদক আর ফেরেনি। আর এবার ফিরতে হচ্ছে খালি হাতেই, ব্রোঞ্জও জুটেনি ললাটে।
স্বর্ণ জয়ের স্বপ্ন ভেঙেছিল আগেই, তবুও অন্তত ব্রোঞ্জ ধরে রাখার সুযোগ ছিল। তবে সেই পথেও বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা, দ্বিতীয় সারির দল নিয়েও বাজিমাত করেছে তারা। টাইগারদের ৬৩ রানে হারিয়ে দখলে নিয়েছে তামার পদকটি।
শনিবার (২ অক্টোবর) নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে টসে হেরে আগে বোলিংয়ে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। মাত্র ২১ রানেই শ্রীলঙ্কার ৪ উইকেট তুলে নেয় তারা। ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৪ উইকেটে ৫১।
কিন্তু এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৬৫ রান তুলে লঙ্কানরা। যা তাড়া করতে নেমে ০ রানে ২ও ১৮ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আর শেষ পর্যন্ত ১৭.৩ ওভারে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা।
বল হাতে দারুণ শুরু করা বাংলাদেশ ১৩ থেকে ১৮—এই পাঁচ ওভারে দেয় ৮৩ রান। ১৩তম ওভারে মোস্তাফিজু দেন ২৫ রান। ওভারটি শেষ করতে তার করতে হয় ১১টি বল। পরের ওভারে রিশাদ হোসেন দেন ১৬ রান।
সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ৪৬ রান দেন রিশাদ, নেন ১ উইকেট। অন্যদিকে ৩ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন মোস্তাফিজ। তবে বাকিরা ছিলেন সাবলীল, শেখ মেহেদী ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ ও আলিস ইসলাম ১৮ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন।
শ্রীলঙ্কার হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেন থারিন্দু রত্নায়েকে। মাত্র ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করা এই অলরাউন্ডার ৩২ বলে ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। তার সাথে আরাচাগে করেন ৩৩ ও বান্দারা করেন ১৮ রান। বাকিরা দুই অঙ্কে যেতে পারেননি।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধসে পড়ে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক লিটন দাস—তিনজনই ফেরেন শূন্য রানে। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। নয়ে নামা নাসুম আহমেদ ২৮ বলে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন।
এছাড়া ইয়াসির আলী ১৬ বলে ২১, পারভেজ হোসেন ইমন ২৬ বলে ২০ এবং তাওহিদ হৃদয় ১১ রান করেন। আর রিশাদ হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ১০ রান। তাতে কোনোরকমে তিন অঙ্কে পৌঁছায় বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কার হয়ে নুয়ান তুশারা, থারিন্দু রত্নায়েকে, বিজয়কান্ত ভিয়াসকান্ত ও ওয়ানুজা সাহান ২টি করে উইকেট নেন। ফলে প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমস থেকে পদক না নিয়েই দেশে ফিরতে হচ্ছে ক্রিকেট দলকে।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








