
এবারো হলো না স্বর্ণ পদক পুনরুদ্ধার, বাড়ল অপেক্ষা। পাকিস্তানের সাথে পেরে উঠল না টাইগাররা। সেমিফাইনালেই আটকে গেছে লিটন দাসের দল।
আসরের প্রথম সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। বৃষ্টি বাধায় ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১১ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। যা ৯ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় পাকিস্তান।
জাপানের নিশিনে ব্যাটে-বলে কোনো বিভাগেই লড়াই জমাতে পারেনি দল। বোলাররা যদিও চেষ্টা করেছেন শুরুর দিকে, তবে সামলে উঠতে পারেননি। অন্যদিকে তাওহীদ হৃদয় ছাড়া আর কেউ পারেনি ব্যাট হাতে ভালো করতে।
দারুণ শুরুর আভাস দিলেও টিকতে পারেননি দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। দ্বিতীয় ওভারে আরাফাত মিনহাসের বলে ছক্কা মারার পরপরই ক্যাচ আউট হন ৭ রান করা তানজিদ।
পরের ওভারে সাইম আইয়ুবের বলে রিভার্স করে খেলতে গিয়ে বোল্ড লিটন কুমার দাস (৩ বলে ২)। এরপর মিনহাসের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে সীমানার অনেক ভেতরে ধরা পড়েন পারভেজ হোসেন ইমনও (৪ বলে ১)।
১ চারের সাথে ২টি ছক্কা মেরে ভালো কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন সাইফ। তবে ভালোর ধারা ধরে রাখতে পারেননি তিনি, এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ১৭ বলে ১৯ রান করে । মাত্র ৪৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর দলের হাল ধরেন হৃদয়।
মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে নিয়ে তিনি গড়েন মাত্র ৩০ বলে ৫৩ রানের জুটি। যেখানে তার অবধান ২ চার ৪ ছক্কায় ২৩ বলে ৪২। অন্যদিকে মোসাদ্দেকের ব্যাট থেকে আসে ১৬ বলে মাত্র ১১ রান। শেষ দিকে ৪ বলে ৮ রান করেন শেখ মেহেদি।
একের পর এক ওয়াইডের মেলা বসিয়ে মোট ১৯ রান অতিরিক্ত দেয় পাকিস্তান। তাতেও অবশ্য বাংলাদেশের স্কোর বড় হয়নি। অন্যদিকে বল হাতে ২৬ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন মুকিম। মিনহাস ২৩ রানে নেন ২ উইকেট।
রান তাড়ায় শুরুতে অবশ্য চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারে সাহিবজাদা ফারহানকে (১) ফেরান মেহেদি। পরের ওভারে মাজ সাদাকাতকে (৭ বলে ১৫) আউট করেন নাসুম আহমেদ।
চতুর্থ ওভারে আক্রমণে এসে খরুচে শুরু করেন মোস্তাফিজুর রহমান। প্রথম তিন বলে ছক্কা, চার ও চার হজম করলেও শেষ বলে সাইম আইয়ুবকে (১২ বলে ২১) ফিরিয়ে দেন অভিজ্ঞ এই পেসার। এরপর রিশাদ ফেরান উসমান খানকে (৯ বলে ১৪)।
ফলে ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। তবে সেই চাপ আর বাড়তে দেননি হাসান নাওয়াজ ও আব্দুল সামাদ। দুজন মিলে ৩২ বলে ৫৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
৫ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ৩০ রান করেন সামাদ। নাওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ২২ বলে ২৭ রান। বল হাতে রিশাদ ও শেখ মেহেদী ভালো করলেও খরুচে ছিলেন মোস্তাফিজ ও নাসুম।
২ ওভারে ৪১ রান দেন মোস্তাফিজ। নাসুমের ৩ ওভার থেকে আসে ৩৩ রান। এই ৫ ওভারে ৭৪ রান তুলে ম্যাচ নিজেদের দিকে নিয়ে নেয় পাকিস্তান। দু'জন অবশ্য একটা করে উইকেট নেন। তবে তা আর কাজে লাগেনি।
ফলে ফাইনালে উঠে গেছে পাকিস্তান। আর বাংলাদেশ খেলবে তৃতীয় স্থান তথা ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








