ফেরিঘাট, যানবাহন, যোগাযোগ, দুর্ভোগ, যাত্রী, ট্রলার
আমরাজুরি ফেরিঘাটে যানবাহন পারাপার বন্ধ রয়েছে। নয়া দিগন্ত

পিরোজপুরের কাউখালীর সাথে পিরোজপুর সদর ও নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলার সড়ক যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম আমরাজুরি ফেরিঘাটে তীব্র নদী ভাঙনের কারণে ফেরির ডালা দেবে গেছে। এর ফলে যানবাহন পারাপার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন এই রুটে যাতায়াতকারী হাজারো মানুষ।

Advertisement

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। হঠাৎ এই যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ বিপাকে পড়েছেন।

ফেরি বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে নদী পার হচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রলারগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। এমনকি যাত্রীদের পাশাপাশি একই ট্রলারে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মতো ভারী যানবাহনও পারাপার করা হচ্ছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

এছাড়া, ট্রলার কর্তৃপক্ষ সুযোগ বুঝে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলেও অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ যাত্রীরা।

কলেজছাত্র আমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাবখান চ্যানেল সন্ধ্যা নদী পার হতে হচ্ছে।’

ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম ও অফিসগামী রফিকুল ইসলাম বলেন, ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ফেরির ইজারাদার শাহিন হোসেন জানান, সকাল থেকেই ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরাজুরি ফেরিঘাটের আশোয়া নদী অংশের ভাঙনের কারণে ফেরির ডালা দেবে গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দ্রুত মেরামত করা হলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হবে।

কাউখালী থানার ওসি মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি দেখছি। ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। যাত্রীদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’