
গাজীপুরের কালীগঞ্জে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় কালীগঞ্জ থানার এসআই মিজানুর রহমান ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রফিক মোল্লা নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের আরো দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকার টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। কালীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো: আশরাফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত রফিকুল ইসলাম উপজেলার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড তুমলিয়া এলাকার মরহুম ওয়াজ উদ্দিনের ছেলে এবং ওই এলাকার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, এসআই মিজানুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল কালীগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুমলিয়া এলাকায় সড়কের পাশে টহল ও ওয়ারেন্ট তামিলের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় তারা কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাড়ি থামান। ওই সময় একটি কাভার্ডভ্যান তাদের ধাক্কা দেয়। এতে এসআই মিজানুর রহমান, পিএসআই জাবেদ ওমর, কনস্টেবল ফজলে রাব্বি ও স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
পুলিশের দাবি, ধাক্কার পর এসআই মিজানুর কাভার্ডভ্যানের সাথে আটকে গেলে তাকে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার টেনে-হিচড়ে নিয়ে যায় ও সড়কের পাশে ফেলে রেখে কাভার্ডভ্যানের চালক পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা: মোস্তফা আল হোসাইন বিএনপি নেতা রফিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
গুরুতর আহত এসআই মিজানুর ও পিএসআই জাবেদ ওমরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে মিজানুরের মৃত্যু হয়। পিএসআই জাবেদ ওমর ঢাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত কনস্টেবল ফজলে রাব্বিকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








