
মা ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার ১৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো খাদ্য সহায়তা পাননি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরমানিকা, চরমাদরাজ, হাজারিগঞ্জ, জাহানপুর, মজিবনগর ও নীলকমল ইউনিয়নের জেলেরা।
সরকার ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে। এ সময় দেশের ৩৭ জেলার ১৬৫ উপজেলার ছয় লাখ ২০ হাজার জেলে পরিবারকে ২৫ কেজি করে ভিজিএফ চাল দেয়ার ঘোষণা থাকলেও তা এখনো পৌঁছায়নি প্রত্যন্ত এই ইউনিয়নগুলোর জেলেদের হাতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞার কারণে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় তাদের আয়-রোজগার পুরোপুরি বন্ধ।
চরমানিকার জেলে রহিম মাঝি বলেন, ‘১৪ দিন ধইরা নদীতে যাই না। সরকার ২৫ কেজি চাল দিবে শুনছি, কিন্তু এখনো লিস্টেই নাম আসে নাই। ঘরে বাচ্চারা না খাইয়া আছে। দোকান থেইকা বাকি নিতেও পারতাছি না।’
আরেক জেলে পরিবারের গৃহিণী নাজমা জানান, স্বামীর আয় বন্ধ, তার ওপর কিস্তির চাপ। ২৫ কেজি চালে সংসারের তেল-মসলা, ওষুধের খরচ চলে না।
মৎস্যজীবী নেতারা জানান, প্রতি বছরই নিষেধাজ্ঞার শুরুতে চাল বিতরণে দেরি হয়, আর ভোগান্তি পোহাতে হয় প্রান্তিক জেলেদের। শুধু চাল নয়; নগদ সহায়তা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি তাদের দীর্ঘদিনের।
এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত বিতরণ শুরু হবে।
জেলেরা বলছেন, মা ইলিশ রক্ষায় তারা আন্তরিক। কিন্তু পরিবার নিয়ে বাঁচতে হলে দ্রুত খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








