
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এবার কারাবন্দী বিএনপি নেতা মাহাবুর রশিদ রেন্টুর অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: মাহফুজুর রহমান রিটন। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বাবার মুক্তির আকুতি জানিয়েছিল তার দুই মেয়ে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) নগর ভবনে রাসিক প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ করেন মাহাবুর রশিদ রেন্টুর স্ত্রী সৈয়দা দিলরুবা আফরোজ এবং তার দুই মেয়ে জারিন তাসনিম রাহি ও সাদিয়া তাহমিন মাহি।
এ সময় রাসিক প্রশাসক তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। একই সাথে তিনি কারাগারে রেন্টুর আইনগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং তার আইনি বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রাসিক প্রশাসক কারবন্দী বিএনপি নেতার পরিবারের একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন ।
এর এক দিন আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বাবার মুক্তির আকুতি জানিয়েছিল দুই বোন। দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী বাবার অসুস্থতা ও পরিবারের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে তারা। দুই মেয়ের এ আকুতির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাসিক প্রশাসককে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে কারাবন্দী বিএনপি নেতা মাহাবুর রশিদ রেন্টুর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পরিবারের একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেব। কারাগারে রেন্টুর আইনগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং তার আইনি বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।’
বাবার মুক্তির আশায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির সামনে দাঁড়ানোর ঘটনা প্রসঙ্গে জারিন তাসনিম রাহি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তাকে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সাথে যোগাযোগ করতে বলেছেন এবং রাসিক প্রশাসককে আমাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রশাসক আমাদের পাশে থেকে বাবার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে যথাসম্ভব ভালো রাখার চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি সহযোগিতার উদ্যোগও নিয়েছেন।’
জারিন তাসনিম রাহি বলেন, ‘আমার বাবা বাগমারা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১০ সালে একটি হত্যা মামলায় তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়ানো হয়। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২১ সালের ১২ অক্টোবর ওই মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।’
রাহি জানান, ‘দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকায় তার বাবা কিডনি, হৃদযন্ত্র ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে বাবার মুক্তি চাই।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








