
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ‘চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক কারবারে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। ব্যবসা-বাণিজ্যের পূর্বশর্ত শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ। পরিবেশ ভালো না হলে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করতে চান না, ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় না এবং বেকারত্ব বাড়ে।’
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফেনীর দাগনভূঞায় ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদক কারবারে যারা জড়িত হোক, কোনো ছাড় দেয়া হবে না। আমার ছেলেও যদি চাঁদাবাজির সাথে জড়িত হয়, তাকে যেন প্রশাসন ছাড় না দেয়।’
মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি উপলব্ধি করে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চায় ব্যস্ত রাখতে চান। তিনি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস চালু করছেন। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। শিশু-কিশোরদের শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।’
আবদুল আউয়াল মিন্টু আরো বলেন, ‘শিশু-কিশোরদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে প্রশাসন ও শিক্ষকদের পাশাপাশি সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং অভিভাবকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সবাইকে সম্মিলিতভাবে এ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
তিনি দাগনভূঞা ও সোনাগাজীর উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। একইসঙ্গে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন।
বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন লিটনের সভাপতিত্বে এবং গোলাম রসুল মেননের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: শাহীদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো: আকবর হোসেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ফয়েজুল আজিম নোমান, সমিতির উপদেষ্টা এএসএম নুর নবী দুলাল ও মো: ইসমাঈল কেরানি, ডা. মো: হানিফ, সাবেক ছাত্রদল নেতা কাজী জামসেদুল আলম ফটিক, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আবুল কাশেম ও গিয়াস উদ্দিন, ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দীন হায়দার ও সাইফুল ইসলাম বাহাদুর প্রমুখ।
পরে পরিবেশমন্ত্রী দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








