
পিরোজপুরের নাজিরপুরে কালিগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ও মোটরসাইকেল বহনের কারণে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তার মা নিখোঁজ রয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার শ্রীরামকাঠী-ভরতকাঠী ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃত শিশু অর্পিতা বেপারী (৯) ও নিখোঁজ রিনা বেপারী (৩৫) নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের শংকর বেপারীর স্ত্রী-মেয়ে। শংকর পরিবার নিয়ে দুর্গাপূজার ছুটিতে গ্রামে বেড়াতে এসে শ্রীরামকাঠী এলাকা থেকে পূজা দেখে ট্রলারে বাড়ি ফিরছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নাজিরপুর থেকে ৫০ জনেরও বেশি যাত্রী ও ছয়টি মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রলারটি ভরতকাঠী ফেরিঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়। ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী ও বোঝা ওঠানোর কারণে ট্রলারটি ঘাট থেকে ছাড়ার পরপরই নদীতে তলিয়ে যায়।
এ সময় অধিকাংশ যাত্রী সাঁতরে ও স্থানীয়দের সহায়তায় কুলে উঠতে পারলেও রিনা ও তার মেয়ে নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুদফা অভিযান চালিয়ে নদী থেকে শিশু অর্পিতার লাশ উদ্ধার করে।
দুর্ঘটনাকবলিত এলাকা ও উদ্ধার অভিযান তদারকি করতে নাজিরপুরের ইউএনও সাজিয়া শাহনাজ তমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: আহসান হাবিব ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এছাড়া পিরোজপুর জেলা ফায়ার ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রায়হানুর আশরাফ ও নাজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক সোয়াইব হোসেন মুন্সির নেতৃত্বে উদ্ধার কাজ পরিচালিত হয়।
ইউএনও সাজিয়া শাহনাজ ও ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আশরাফ জানায়, রাতের উদ্ধার কাজ চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আপাতত উদ্ধার অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে। সকাল থেকে নিখোঁজ রিনাকে উদ্ধারে আবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








