
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রিপন মিয়া (৪২) নামের এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভোলাবো ইউনিয়নের পাইস্কা কুলি মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রিপন মিয়া ওই এলাকার মো: শহিদুল্লাহ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, রোববার রাত ১১টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে নাম না দেয়া ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভোলাবো ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি ও কাঠ ব্যবসায়ী রিপন মিয়ার সাথে একই এলাকার রিফাত কাজীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রিফাত কাজীর নেতৃত্বে ২৫-৩০ সদস্যের একদল যুবক রামদা, ছুরি, লোহার রড, এসএস পাইপসহ অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রিপন মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়।
এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রিফাত কাজী ও তার সমর্থিতরা উপর্যুপরি কুপিয়ে রিপন মিয়াকে হত্যা করে। তখন বাড়ির লোকজনদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
পুলিশ সোমবার লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
নিহত রিপনের ছেলে শাওন মিয়া ও শাহিন মিয়ার জানায়, গত ৬ ও ৭ অক্টোবর রাতে পাইস্কা এলাকায় যুবসমাজের উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে রিপন মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ছিলেন। তবে স্থানীয় রিফাত কাজী ও তার সমর্থিতদের নাম ওই কমিটিতে না থাকায় তারা ক্ষুব্ধ হয়। অভিযুক্ত রিফাত কাজী ও তার সমর্থিতরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আগে থেকেই রিপন মিয়ার উপর রিফাত কাজী ও তার সমর্থিতরা ক্ষুব্ধ ছিলেন।
থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত। মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশ নারায়ণগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








