
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে পাঁচ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শুরুতে বাম্পার ফলনের আশা জাগলেও ধানের কাইচ থোড় আসার সময়ে মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। বারবার কীটনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার না পাওয়ায় ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।
সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় কৃষকরা কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি জমিতে ডালপালা পুঁতে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। তবে অনেকের অভিযোগ, এসব চেষ্টা করেও পোকার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া এলাকার কৃষক মফিজ মিয়া বলেন, ‘ধানের শীষ বের হওয়ার আগমুহূর্তে পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। নিয়ম মেনে কীটনাশক প্রয়োগ করেও তেমন সুফল মিলছে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে বড় ধরনের লোকসান হতে পারে।’
সিদলাই ইউনিয়নের কৃষক হারুন মিয়াও একই উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, জমিতে ডালপালা পুঁতে ও পলিথিন বেঁধে পোকা দমনের চেষ্টা করেও উপদ্রব ঠেকানো যাচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল পাঁচ হাজার ৪৮০ হেক্টর জমি। সেখানে আবাদ হয়েছে পাঁচ হাজার ৫১১ হেক্টর, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩১ হেক্টর বেশি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: আবদুল মতিন বলেন, ‘কিছু এলাকায় মাজরা পোকার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে কৃষকদের অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক নিয়মে ও সহনীয় মাত্রায় বিকেলের পর প্রয়োগের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের পরামর্শ ও তদারকি করছেন।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








