
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলার পলাতক তিন আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-এর যৌথ আভিযানিক দল।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ।
তিনি জানান, গ্রেফতারের পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক তিন আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট নগরীর জালালাবাদ থানাধীন কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা বাজার এলাকার একটি বসতবাড়িতে এসআরবি-৯ সিলেট ও এসআরবি-১৩ নীলফামারীর একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার তিনজন হলেন— নীলফামারীর ডোমার উপজেলার হংসরাজ গ্রামের আবুল হোসেন (৪০), তার স্ত্রী আমেনা বেগম (৩৫) ও ছেলে হৃদয় ইসলাম (১৯)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দেলোয়ার হোসেনের সাথে তার ভাই-বোন ও ভাতিজার বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ৫ জুন সকালে ডোমারের হংসরাজ গ্রামের তামরপাড়া এলাকায় দেলোয়ারের আবাদি জমিতে আইল নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে আবুল হোসেনের নির্দেশে অন্যরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে দেলোয়ারের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় আবুল হোসেন ধারালো কোদাল দিয়ে দেলোয়ারের মাথায় আঘাত করেন। হামলায় দেলোয়ার ও তার স্ত্রী আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে দেলোয়ারের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ জুন তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় দেলোয়ারের স্ত্রী ডোমার থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রথমে হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরে দেলোয়ারের মৃত্যুর পর দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা সংযোজন করা হয়।
এরপর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতারে এসআরবি ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








