তরমুজ, চাষ
গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরমুজ। নয়া দিগন্ত

যখন চারদিকে ধান আর সবজির মৌসুম, তখন চরফ্যাশনের মাঠে ঝুলছে রসালো তরমুজ। অসময়ে তরমুজ চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের আদর্শ কৃষক মিজান।

Advertisement

প্রচলিত ধারণা ভেঙে তিনি প্রমাণ করেছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও পরিচর্যা থাকলে বারো মাসই তরমুজ চাষ সম্ভব।

সরেজমিনে তার তরমুজের মাঠ পরিদর্শন করা হয়। মাঠজুড়ে সবুজ লতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে সতেজ, পাকা তরমুজ। মাঠে বসেই সেই সদ্য তোলা সুমিষ্ট তরমুজের স্বাদ নেয়ার সুযোগ হয়। রসে টইটম্বুর, টকটকে লাল আর অসাধারণ মিষ্টি—এক কথায় অতুলনীয়।

কৃষক মিজান জানান, ‘সবাই বলেছিল এ সময়ে তরমুজ হবে না। কিন্তু আমি ইউটিউব দেখে ও কৃষি অফিসের পরামর্শে অফ-সিজন জাতের তরমুজ চাষ করেছি। আল্লাহর রহমতে ফলনও ভালো হয়েছে, দামও ভালো পাচ্ছি।’

স্থানীয়রা জানান, অসময়ে হওয়ায় বাজারে এ তরমুজের চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি। তার সাফল্য দেখে এখন অনেক কৃষকই অফ-সিজন তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাজমুল হুদা বলেন, ‘মিজান ভাইয়ের মতো উদ্ভাবনী কৃষকরাই আমাদের কৃষির ভবিষ্যৎ। অফ-সিজন তরমুজ চাষ লাভজনক। আমরা তাকে সব ধরনের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছি।’

মিজানে এ সাফল্য চরফ্যাশনের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।