
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে দু’জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, চরলাপাং গ্রামের একটি সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে গ্রামের অহিদ মিয়ার সাথে গ্রামবাসীর বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। এরপর গ্রামের মুসলেম মিয়া কৃষকদের জমিতে ভাড়ায় হাল চাষ দেয়ার জন্য একটি ট্রাক্টর কিনে আনেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরো বাড়ে।
স্থানীয়দের দাবি, ট্রাক্টর ভাড়া দেয়ার ব্যবসায় নিজেদের একক আধিপত্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় অহিদ মিয়া ও তার ভাই উবায়দুল মিয়া ক্ষুব্ধ হন। এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে অহিদ মিয়া ও মুসলেম মিয়ার পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
এরই জেরে শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে অহিদ মিয়া নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জারচর গ্রাম থেকে লোকজন এনে চরলাপাং গ্রামে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে চরলাপাং গ্রামের মরহুম সুন্দর আলীর ছেলে ফুল মিয়া (৬০) ও একই গ্রামের সুমন মিয়ার স্ত্রী উম্মে হানি (২২) গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








