
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা: শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘ম্যাক্সিমাম আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বিদেশে পালিয়ে গেছে। তবে কিছু কিছু নেতাকর্মী এখনো দেশে রয়ে গেছে। যেসব নেতাকর্মী এখনো দেশে রয়েছেন, তাদের কাছে অনেক অস্ত্র রয়েছে। এসব অস্ত্রের বেশিরভাগই এখনো উদ্ধার হয়নি। তাই এসব অস্ত্র উদ্ধার করে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রশাসন তাদের সম্পর্কে জানে। তাই অনতিবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করুন।’
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর লালদিঘীর পাড়স্থ জেলা পরিষদ চত্বরে কোতোয়ালি থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যবিরোধী মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি জেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে লালদিঘীর পাড়, বক্সি বিট হয়ে আন্দরকিল্লা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
ডা: শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ভাইদের বলতে চাই, আপনারা জানেন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা কোথায় আছে। আমি অনেকবার বলেছি, আপনারা দেখেছেন, তারা ৫ আগস্টের আগে মানুষ মেরেছে, ছাত্র-জনতা হত্যা করেছে, গুম করেছে, আয়নাঘর তৈরি করেছিল এবং থানা থেকে অস্ত্র লুট করেছে। তাদের কাছে এখনো অনেক অস্ত্র আছে, যার বেশিরভাগই উদ্ধার হয়নি। আমরা এমন খবরও পেয়েছি, পাঁচ হাজার টাকা দিলেই নাকি বোমাবাজি করা যায়।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের ডিসেম্বরের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। শেখ হাসিনা হত্যা মামলার আসামি। তিনি যদি দেশে আসতে চান, তাহলে আইনের মাধ্যমে আসতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সময় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের এতিম করে পালিয়ে গেছে। বিদেশে বসে তাদের উসকে দিচ্ছে। শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির রশি রেডি আছে।’
কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে এমপি আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাজা বা দণ্ড নির্ধারিত হওয়ার পরেই কেবল তাদের রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, অন্যথা তাদের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই।’
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, শিহাব উদ্দিন মুবিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খোরশেদুল আলম, মো: কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো: ইসমাইল বালি।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








