
কুমিল্লার দেবিদ্বারে বাঁশ-বেতের কারিগর শফিকুল ইসলাম (৪০) হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার উপজেলার বারুর ও বারেরা-খোদাইচর এলাকার বাসিন্দারা খোদাইচর বটতলায় এ কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধন থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে নিহত শফিকুলের স্ত্রী নারগিস আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি আমার স্বামীর প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার কোনো কথা তারা শোনেনি। আমাকে মারধরও করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। জড়িতদের দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে।’
মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত পরিবারের কয়েকজন সদস্য দীর্ঘদিন মাদক কারবারের সাথে জড়িত। প্রধান অভিযুক্ত লিমনের বিরুদ্ধে আগেও হামলার একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বক্তারা বলেন, শফিকুল হত্যাকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাইকে তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। কোনো ধরনের প্রভাব বা টালবাহানা ছাড়াই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সমাজসেবক ময়নাল হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাকির হোসেন মেম্বার, সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা কাইয়ুম, নিহতের বড় ভাই নুরুল ইসলাম ও আকিবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। কর্মসূচিতে আরো উপস্তিত ছিলেন সাবেক মেম্বার আবুল কালাম আজাদ, মেহেদী হাসান, কালাম, ব্যাংকার ফারুক, শাহআলম, শাহজান, ইউনুস, আবুল হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
দেবিদ্বার থানা ওসি মো: মনিরুজ্জামান বলেন, ‘শফিকুল হত্যা মামলার তিন আসামির মধ্যে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর একজনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। এরই মধ্যে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে স্থানীয়রা মানববন্ধন করেছে।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামে বাঁশঝাড়ের মালিকানা বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








