
ভোলার সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় চারটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেডসহ আটজনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের দুই লাখ টাকা জরিমানা ও সাতজনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আটকরা হলেন ভোলার দুলারহাট থানার আহমদপুর গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রুবেল (২৭), বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার চর মিঠুয়া গ্রামের কাশেম গাজীর ছেলে রিপন (২৫), ভোলার ভেদুরিয়া গ্রামের বেলাল বকশির ছেলে নোমান মিয়া (২২), একই এলাকার সালাহউদ্দিনের ছেলে ইয়ামিন (১৬), ভোলার উত্তর ইলিশা গ্রামের ভাসানী মাঝির ছেলে মো: আব্বাস (৩৮), বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার শিয়ালগনি গ্রামের মকবুল হাওলাদারের ছেলে পরশ মনি হাওলাদার, বরিশাল কোতোয়ালি থানার বিমানবন্দর এলাকার রফিক হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার ও একই থানার চন্দ্রমোহন এলাকার আব্দুল মজিদ খানের ছেলে মো: খলিল।
কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল পশ্চিম ইলিশা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরত অবস্থায় চারটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেডসহ আটজনকে আটক করা হয়।
কোস্টগার্ড আরো জানায়, অভিযানের পর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। একই সাথে সাতজন বালু উত্তোলনকারীকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। আটক ইয়ামিন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম বলেন, ‘নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদী তীরবর্তী মানুষের ফসলি জমি ও বসতভিটা হুমকির মুখে পড়ছে। এসব ক্ষতি রোধে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








