আমদানি-রফতানি
শেওলা বন্দর। নয়া দিগন্ত

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সিলেটের শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে আবার শুরু হচ্ছে ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি।

Advertisement

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের করিমগঞ্জ এক্সপোর্টারস অ্যান্ড ইম্পোর্টারস কো-অর্ডিনেশন টিমের সাথে সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ ও সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের এক যৌথ মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

এতে সীমান্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সুবিধা বাড়াতে সিলেটের বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে আবারো কয়লা ও পাথর আমদানি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীরা।

আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে এ বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতারা একমত হয়েছেন।

এর আগে রোববার দুপুরে শেওলা স্থলবন্দরের পোর্ট ভবনের সম্মেলনকক্ষে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যৌথ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি চন্দন সাহার সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক মো: আতিক হোসেন। 

সভায় ভারতের করিমগঞ্জ এক্সপোর্টারস অ্যান্ড ইম্পোর্টারস কো-অর্ডিনেশন টিম, সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ ও সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের নেতারা অংশ নেন।

সভায় দুই দেশের ব্যবসায়ীরা শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্য কার্যক্রম আরো সহজ ও নিরবচ্ছিন্ন করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। একই সাথে ব্যবসায়িক স্বার্থ সুরক্ষা এবং বৈধ ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনের অনুমোদিত বৈধ সদস্যদের তালিকা পারস্পরিকভাবে বিনিময়ের সিদ্ধান্ত হয়। ওই তালিকায় থাকা সদস্য ছাড়া অন্য কারও সাথে কয়লা ও পাথর আমদানি-রফতানি না করার বিষয়েও ব্যবসায়ী নেতারা সম্মত হন।

বৈঠকের ব্যাপারে চন্দন সাহা জানান, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে কয়লা ও পাথর আমদানি পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত বাণিজ্য সচল রাখতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপরে আলোচনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সাল থেকে এ স্থলবন্দর দিয়ে কয়লা ও পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে।

সভায় ভারতের করিমগঞ্জ এক্সপোর্টারস অ্যান্ড ইম্পোর্টারস কো-অর্ডিনেশন টিমের পক্ষে আবু সালেহ মো: ফখর উদ্দিন, অমরেশ রায়, সত্য রঞ্জন দে, শিবাজী চৌধুরী, রুহুল কুদ্দুছ, দিলওয়ার হোসেন চৌধুরী, ইমদাদুল হক চৌধুরী, ছালিম উদ্দিন চৌধুরী, আফজাল হোসেন, মো: আমিরুল ইসলাম, উমর আহমদ চৌধুরী, কামরুল হক চৌধুরী, আব্দুল ওয়াহিদ, তাজ উদ্দিন, নাজির হোসেন চৌধুরী, লোকমান হোসেন, মোস্তফা আহমদ, সালেহ আহমদ, বিপ্রজিত দাস ও জয়নাল ইসলামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশী আমদানিকারকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোহেল আহমদ, জাকারিয়া ইমতিয়াজ জাকির, মনিরুল হক, মো: শাহ আলম, জুয়েল আহমদ, আবুল হাসেম, মো: সেলিম আহমদ, মো: নুরুল ইসলাম, ছালিম উদ্দিন পারভেজ, নিয়াজ উদ্দিন, আব্দুল কাদির ও রনি আহমদসহ আরো অনেকে।