
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জেনারেটরের বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আমিরুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহনগঞ্জ উপজেলার বরান্তর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত আমিরুল সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দশধরি গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি ডেকোরেটরের কাজের সাথে জড়িত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিরুল ধর্মপাশা উপজেলার হলিদাকান্দা গ্রামের ডেকোরেটর ব্যবসায়ী জিকো মিয়ার সাথে মোহনগঞ্জ উপজেলার বরান্তর গ্রামে ডেকোরেটরের কাজ করতে যান। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে তাকে জেনারেটরের তারের সংযোগ দিতে বলা হয়। তিনি সংযোগ দেয়ার সময় আকস্মিকভাবে বিদ্যুৎ চলে আসে। এতে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।
পরে রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রাত ১১টা ২৫ মিনিটে বিষয়টি থানায় জানানো হয়। খবর পেয়ে এসআই আজগর আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে রাত ১২টার মধ্যে লাশ থানায় নেয়া হয়।
পরদিন সকাল ১০টার দিকে নিহতের বাবা বকুল মিয়া, ধর্মপাশা সদর থানার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জোবায়ের পাশা হিমু এবং স্বজনেরা মোহনগঞ্জ থানায় আসেন। পুলিশ ও স্বজনদের মধ্যে আলোচনা শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লাশ ধর্মপাশার দশধরি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, ‘মৃতের বাবার কোনো অভিযোগ না থাকায় এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। অপমৃত্যু হিসেবে বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে।’
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।








