আহত
রায়পুরে বিএনপি-স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৫। নয়া দিগন্ত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কথা-কাটাকাটির জেরে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের হাজিমারা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন— ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ মাঝি, বিএনপির কর্মী মহাসিন কবির, দাদন মাঝি ও মানিক মাঝি এবং যুবদল নেতা কবির হোসেন। 

তাদের মধ্যে তিনজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর দুজন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আহতরা বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে একটি বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। তবে বিকেলে হাজিমারা বাজারে আবারো দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ সময় কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ মাঝি বলেন, ‘সকালে কথা-কাটাকাটির পর বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়। পরে বিকেলে ৮ নম্বর দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাসেল ও আমির হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় রামদা ও চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আহত মহাসিন কবির বলেন, ‘বিকেলে বাজারে যাওয়ার পথে অটোরিকশা থেকে নামার পর তার ওপর হামলা করা হয়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার বাবা দাদন মাঝি, চাচা এরশাদ মাঝি, মানিক মাঝি ও ছোট ভাই কবির হোসেনও হামলার শিকার হন। এতে তার বাবা গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাসেল বলেন, ‘বিকেলে তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে তাদের লোকজন পাল্টা মারধর করেন। তাদের পক্ষের কয়েকজনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘হাজিমারা বাজারে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’