পুরস্কার
মালয়েশিয়ার মাল্টিমিডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশীরা। সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার মাল্টিমিডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য-২০২৬ প্রতিযোগিতায় ২৪টি দেশের ১ হাজার ২০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন দল। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নভিত্তিক প্রকল্প নিয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্ভাবকেরা সাফল্য অর্জন করেছেন।

বাংলাদেশের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে রোবো টেক ভ্যালির নেতৃত্বে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় বাংলাদেশী দলগুলো। দলের প্রধান প্রতিনিধি ও রোবো টেক ভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা এ এস এম আহসানুল সরকার আকিব সামগ্রিক নেতৃত্ব ও কারিগরি সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ দলের সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন সফটওয়্যার শপ লিমিটেডের কারিগরি পণ্য ব্যবস্থাপক মো. তৌহিদুল ইসলাম, প্রগ্রেস টেক লিমিটেডের জুবায়ের আল বিল্লাহ খান এবং ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বাংলাদেশের প্রভাষক মো. আশিকুচ্ছালেহীন। তারা অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সমন্বয়, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতা করেন।

প্রতিযোগিতায় নোভাট্রিক্স দল প্লাটিনাম পুরস্কার ও স্বর্ণপদক অর্জন করে। পাশাপাশি সেরা পাঁচ দলের তালিকায় চতুর্থ স্থান অর্জনের পাশাপাশি শ্রেষ্ঠত্বের বিশেষ সম্মাননা লাভ করে।

ফ্যালকন নেক্সাস দল অর্জন করে স্বর্ণপদক। এডুকেটেড রোবট দলও স্বর্ণপদক অর্জনের পাশাপাশি সেরা পাঁচ দলের তালিকায় চতুর্থ স্থান লাভ করে।

নেক্সাস স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা দল স্বর্ণপদকের পাশাপাশি রোবট ও ড্রোন বিষয়ে সেরা পুরস্কার অর্জন করে।

এলিট ট্রায়ো দল প্লাটিনাম পুরস্কার ও স্বর্ণপদক অর্জন করে। দলটি সেরা পাঁচ দলের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জনের পাশাপাশি ‘বিশ্ব পরিবেশ রক্ষক’ পুরস্কার লাভ করে।

নেক্সোরা দল স্বর্ণপদক ও ‘মানবকল্যাণ’ পুরস্কার অর্জন করে। অন্যদিকে কর মেশিনা দল স্বর্ণপদক ও প্লাটিনাম পুরস্কার অর্জনের পাশাপাশি সেরা পাঁচ দলের তালিকায় স্থান করে নেয় এবং ‘তরুণ পরিবর্তন-সাধক’ পুরস্কার লাভ করে।

এ ছাড়া ইকো ওয়ারিয়র্স দল স্বর্ণপদক ও ‘পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন’ পুরস্কার অর্জন করে। দুর্গ দলও স্বর্ণপদক অর্জন করে।

আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দলগুলোর সাফল্য দেশের তরুণ প্রজন্মের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, গবেষণা ও টেকসই উন্নয়নভিত্তিক উদ্যোগের সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরেছে। ২৪টি দেশের ১ হাজার ২০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারীর অংশগ্রহণে বাংলাদেশের একাধিক দলের এ অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের সাফল্যকে আরও দৃশ্যমান করেছে। বিজ্ঞপ্তি