
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, যেকোনো উৎসবে কোনো সাম্প্রদায়িক ভেদরেখা কোনো সীমানাকে সেটাকে আলাদা করে না, বরং প্রতিটি উৎসবই সমস্ত ভেদরেখাকে অতিক্রম করে একে অপরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধে সম্মিলিত করে, ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করে। এটাই হচ্ছে উৎসবের মর্মবাদী, এটাই উৎসবের মূলমন্ত্র।
শনিবার সকালে মিরপুরে কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির পরিদর্শনে এসে এ মন্তব্য করেন তিনি।
শৈশবের স্মৃতি মনে করে রিজভী বলেন, কার্তিকের নবান্নের দেশে দুর্গাপূজা সম্প্রদায়ের পূজা থাকে না, এ উৎসব এক সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়। আমাদের অনেকেই হয়তো ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু যখন একটা উৎসব হয় আমার এখনো মনে আছে ছোটবেলায় আমাদের বাড়ির পাশে আমাদের যে বাড়ি তার সাথেই দুর্গাপূজার মেলা অনুষ্ঠিত হয় এবং এই মেলাকে ঘিরে যে কত আনন্দ, কত রঙিন বেলুন, সেই খেলনা পিস্তল, কত ধরনের মিষ্টান্ন- এটা আমাদের মনে পড়তো। এবং সেই আনন্দের জন্য প্রতিবছর অপেক্ষা করতাম কবে আসবে দুর্গাপূজা।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের একার উৎসব নয়। তাদের প্রধান উৎসব, কিন্তু একার উৎসব নয়, এই উৎসবের অংশ ভাগের মধ্যে আমরাও আছি। আমরাও সেখানে অংশগ্রহণ করতে পারছি।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক মাস আগে থেকেই দুর্গাপূজার নিরাপত্তা এবং এটিকে নিরাপদ রাখার জন্য সমস্ত ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি দলকে নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি সরকারের প্রধান হিসেবে দেশের প্রতিটি প্রশাসনিক যে যন্ত্র প্রত্যেককে নির্দেশ নির্দেশ দিয়েছে যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতার সুযোগ তৈরি না হয়- সে ব্যাপারে দেখতে হবে। আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে জাতীয় কমিটি করেছি জেলায় জেলায়।
তিনি বলেন, তিন দিন ছুটি চেয়েছিলেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা, সরকার সেখানে পাঁচ দিন ছুটির ব্যবস্থা করেছে। মন্দিরে ৫০০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলে সরকার ৬০০ কেজি চাল দিয়েছে প্রতি মন্ডপে। প্রতিমাসে এখন থেকে আট হাজার করে টাকা প্রতিটি মন্দির পাবে এবং পুরোহিতদের সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্রে করে সরকার সার্বিক ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানান রিজভী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা: তৌহিদুর রহমান আউয়াল প্রমুখ।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








