তুরস্কের বিমান
তুরস্কের বিমান সংগৃহীত ছবি

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইনস বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৫০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০৩৩ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে এসব উড়োজাহাজ সরবরাহ করা হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে টার্কিস এয়ারলাইনস জানায়, তারা বোয়িংয়ের কাছ থেকে মোট ১৫০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজের ক্রয় আদেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। আরো ৫০টি উড়োজাহাজ কেনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান নিউইয়র্কে অবস্থানকালে এ ঘোষণা দেয়া হয়। এর এক দিন আগে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে তিনি অংশ নেন।

ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে বলেন, এটি ‘বোয়িং ও আমেরিকার উৎপাদন খাতের জন্য বড় দিন’। 

ওই পোস্টে তিনি বাংলাদেশ আরো বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি ডলারের বিক্রি হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

এর প্রায় এক বছর আগে টার্কিস এয়ারলাইনস জানিয়েছিল, তারা বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরো ২২৫টি উড়োজাহাজ কিনবে। হোয়াইট হাউসে এরদোগান ও ট্রাম্পের বৈঠকের পর ওই ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে টার্কিস এয়ারলাইনসের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। সংস্থাটির বহরে ৫১৪টি উড়োজাহাজ রয়েছে। 

ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, তারা ১৩০টিরও বেশি দেশে ফ্লাইট পরিচালনা করে। ২০২৫ সালে সংস্থাটি নয় কোটি ২৬ লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে।

সূত্র : বাসস