
কানাডা থেকে স্বাধীন হতে আজ তেল-সমৃদ্ধ আলবার্টায় গণভোট হতে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, তোরি মরগান ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কানাডার তেল-সমৃদ্ধ প্রদেশ আলবার্টাকে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত করার জন্য লড়াই করছেন। সোমবার আলবার্টার বাসিন্দারা এই ইস্যুতে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাচ্ছেন। কিন্তু ভোটের ফল ‘না’ হলেও মরগান জানান, তিনি দীর্ঘমেয়াদী লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।
আলজাজিরাকে তিনি বলেন, ‘আমি ভোটারদের রায়কে সম্মান জানাব। তারা যদি মনে করে এখনো আলাদা হওয়ার সময় হয়নি, তবে তা-ই সই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমি থেমে যাব।’
‘পাথওয়ে টু ইন্ডিপেনডেন্স' নামক একটি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা মরগান হচ্ছেন এমন একদল প্রবীণ বিচ্ছিন্নতাবাদীর একজন, যারা একসময় প্রান্তিক বলে মনে করা একটি ধারণাকে ভোটের ব্যালট পর্যন্ত নিয়ে আসতে পেরেছেন।
সোমবারের প্রাদেশিক গণভোটে আলবার্টার অধিবাসীদের কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে- তারা কি ভবিষ্যতে স্বাধীনতার বিষয়ে একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাব বাস্তবায়নের দিকে এগোতে চান কি না।
জনমত জরিপগুলো বলছে, স্বাধীনতাপন্থী পক্ষের জয়ের সম্ভাবনা খুবই কম; প্রদেশের প্রতি পাঁচজনের চারজনই কানাডার অংশ হিসেবে থাকার পক্ষে। তবে মরগানের নজর বাকি ওই একজনের দিকে।
মরগান বলেন, ‘এটি এমন কোনো আন্দোলন নয়, যা হারিয়ে যাবে।’
তবে এই গণভোট বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন এবং সামগ্রিকভাবে কানাডার জন্য কী অর্থ বহন করবে, সেই প্রশ্নটি আরো জটিল।
আলবার্টাবাসীরা ঠিক কী বিষয়ে ভোট দিচ্ছেন?
সোমবারের ব্যালটে আলবার্টাবাসীদের দু’টি বিকল্প দেয়া হয়েছে- কানাডার অংশ হিসেবে থাকা অথবা ভবিষ্যতে বিচ্ছিন্নতার ওপর গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা।
দ্বিতীয় বিকল্পের পক্ষে ভোট দেয়ার অর্থ এই নয় যে আলবার্টা সাথে সাথেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে যাবে।
যেকোনো প্রদেশ বিচ্ছিন্ন হতে চাইলে তাকে প্রথমে অটোয়ার কেন্দ্রীয় সরকার, অন্যান্য প্রদেশ এবং আলবার্টার আশেপাশে বসবাসকারী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাথে জটিল আলোচনায় বসতে হবে।
কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠক এ পার্থক্যটিকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে গণভোটের পক্ষে ভোট দিতে উৎসাহিত করছেন- এমনকি তারা নিজেরা বাধ্যতামূলকভাবে স্বাধীনতা না চাইলেও।
ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টার রাজনৈতিক বিজ্ঞানের অধ্যাপক জারেড ওয়েসলি বলেন, “কৌশলী বিচ্ছিন্নতাবাদী ও তাদের নেতারা এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিচ্ছেন। তারা মানুষকে দেশ ত্যাগ করার জন্য নয়, বরং অটোয়াকে একটি বার্তা দেওয়ার জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে উৎসাহিত করছেন যে আলবার্টাবাসীদের কথা শুনতে হবে।”
তিনি আলজাজিরাকে জানান, এই বার্তা হয়তো কিছু ভোটারের মনে সাড়া ফেলছে।
‘ভিউ পয়েন্ট আলবার্টা’র সংগৃহীত উপাত্ত ইঙ্গিত দেয় যে, গণভোট সমর্থনকারী দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার কেবল কৌশলগত কারণে এবং অটোয়াকে একটি বার্তা দিতে সমর্থন দিচ্ছেন।
মরগান এদের বলছেন ‘অনিচ্ছুক বিচ্ছিন্নতাবাদী’- এমন কিছু মানুষ যারা চূড়ান্ত বিরক্ত এবং কেবল চান যেন অটোয়া তাদের দিকে নজর দেয়।
তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আলবার্টাবাসীদের এই কৌশলের বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
বৃহস্পতিবার ক্যালগারিতে এক স্বাধীনতাবিরোধী সমাবেশে তিনি বলেন, “ভোট দিয়ে ‘বার্তা পাঠানো যাবে’- এমন কথায় বিভ্রান্ত হবেন না। এটি কোনো পকার খেলা নয়। কানাডার বিপক্ষে ভোট দেওয়া একটি বিপজ্জনক কৌশল, যা বছরের পর বছর ধরে গভীর বিভাজন ও চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করবে।”
আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের নেপথ্যে কী?
সোমবারের এই গণভোট কয়েক দশকের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের ফল। তেলের প্রমাণিত রিজার্ভের দিক থেকে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে থাকা আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ- প্রদেশটি কেন্দ্রীয় সরকারকে অতিরিক্ত অর্থ দেয়, যা দিয়ে দেশের বাকি অংশের ভর্তুকি চলে, অথচ বিনিময়ে তারা কিছুই পায় না।
তারা কেন্দ্রীয় জ্বালানি নীতিরও বিরোধী, যা তাদের মতে প্রদেশের তেল শিল্পের সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিচ্ছে।
মরগানের মতে, এই ক্ষোভের সূত্রপাত ১৯৮০-এর দশকে, যখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর (সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর বাবা) সরকার 'জাতীয় শক্তি কর্মসূচি' চালুর ঘোষণা দেয়।
সেই নীতিতে কানাডাজুড়ে জ্বালানির দাম সাশ্রয়ী রাখতে মূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর এবং মালিকানার নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছিল, যার ফলে আলবার্টার আয়ের বড় একটি অংশ ওটোয়ায় চলে যায়।
এরপর থেকেই এটি ‘পশ্চিমা বিচ্ছিন্নতা’র একটি প্রধান প্রতীক হয়ে ওঠে- যেটি কানাডার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর অধিকারবঞ্চিত অনুভূতির প্রকাশ ঘটায়।
২০১৫ সালে জাস্টিন ট্রুডো ক্ষমতায় আসার পর এই উত্তেজনা নতুন করে দেখা দেয়। তার পরিবেশ নীতি, যার মধ্যে জাতীয় কার্বন কর এবং নির্গমন সীমা অন্তর্ভুক্ত ছিল, আলবার্টার তেল খাতকে চরম ক্ষুব্ধ করে তোলে।
মরগান বলেন, ‘আমরা ৫০ বছর ধরে একই বিষয় নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছি।’
এরপর আসে কোভিড-১৯ মহামারী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্য বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে আন্দোলনগুলো নতুন প্রজন্মের রক্ষণশীল কর্মীদের চাঙ্গা করে তোলে, যা আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে।
জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার মুখে ২০২৫ সালে ট্রুডো লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং তার স্থলাভিষিক্ত হন মার্ক কার্নি।
গত বছর বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথের সরকার গণভোট আয়োজনকে সহজতর করে, যা আলবার্টার স্বাধীনতার প্রশ্নটিকে রাজনীতির মূল আলোচনায় নিয়ে আসে।
অধ্যাপক ওয়েসলির মতে, এই মুহূর্তটি স্বাধীনতার প্রতি সাধারণ জনগণের সমর্থন বাড়ার চেয়ে স্মিথের শাসকদল ‘ইউনাইটেড কনজারভেটিভ পার্টি’র অভ্যন্তরীণ চাপের ফল। দলটির সদস্যরা সাধারণ আলবার্টাবাসীদের চেয়ে বিচ্ছিন্নতার পক্ষে বেশি সোচ্চার।
ওয়েসলি বলেন, ‘এ গণভোটটি হচ্ছে কারণ ড্যানিয়েল স্মিথ এটি চান। তিনি দলের অভ্যন্তরীণ সমস্যা মেটাতে পুরো জনগণের দিকে প্রশ্নটি ছুড়ে দিয়েছেন।’
স্মিথ এই গণভোটের আহ্বান জানালেও নিজে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছেন এবং ১৪ অক্টোবর তিনি জানান যে তিনি বিচ্ছেদের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।
সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক ভিডিওতে স্মিথ তার ভোটের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমার মতে, এখন আমাদের দেশের আশা ছেড়ে দেয়ার সময় নয়; বিশেষ করে যখন আমরা এত দীর্ঘ লড়াই করে এত দূর এসেছি।’
পরাজয় কি আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করতে পারে?
স্মিথের এই রাজনৈতিক পদক্ষেপের সাথে ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যের ‘ব্রেক্সিট’ গণভোটের তুলনা টানা হচ্ছে।
তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন তার নিজের কনজারভেটিভ পার্টির অভ্যন্তরীণ বিভাজন মেটাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার বিষয়ে গণভোটের ডাক দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভোটাররা ইইউ ছাড়ার পক্ষে ভোট দেন, যা কয়েক বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্ম দেয়।
তবে আলবার্টায় বেড়ে ওঠা এবং বর্তমানে আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ইয়ান কুপার মনে করেন, ১৯৭৫ সালে যুক্তরাজ্যের আরেকটি গণভোটের সাথে এর তুলনা করা বেশি যুক্তিযুক্ত। তখন ব্রিটিশ ভোটাররা বিপুল ভোটে তৎকালীন ‘ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়’-এ থাকার পক্ষে রায় দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, সেই ভোট কিন্তু ইউরোপ ছাড়তে চাওয়া অ্যাক্টিভিস্টদের দমিয়ে রাখতে পারেনি।
কুপার বলেন, ‘যারা ব্রেক্সিটের পক্ষে ছিলেন, তারা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়েছিলেন। তাদের ২৫ বছর সময় লেগেছে, কিন্তু তারা অবশেষে তা অর্জন করেছেন।’
কুপার ধারণা করছেন, আলবার্টার বিচ্ছেদের প্রস্তাব বড় ব্যবধানে হেরে গেলেও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা একই কৌশল গ্রহণ করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে সমর্থন বাড়াতে ইস্যুটি বাঁচিয়ে রাখতে পারে।
মরগান বলেন, সোমবারের ভোটে হেরে গেলে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিজেদের ঘাটতিগুলো খতিয়ে দেখতে হবে এবং ভবিষ্যতে আরো শক্ত যুক্তি তৈরি করতে হবে।
তিনি বিশ্বাস করেন না যে কানাডার ব্যবস্থার ভেতরে থেকে বা সহানুভূতিশীল কোনো কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচন করে এই মূল ক্ষোভের সমাধান সম্ভব।
আলবার্টায় বেড়ে ওঠা প্রধানমন্ত্রী কার্নি বৃহস্পতিবারের সমাবেশে স্বীকার করেছেন যে ‘অনেক আলবার্টাবাসীর হতাশা বাস্তব।’ তিনি যোগ করেন যে ওটোয়ার নীতির কারণে এই প্রদেশের মানুষের মনে হয়েছে ‘যেন তাদের সম্পদ তাদের নিজস্ব নয়।’
আমেরিকার সাথে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আলবার্টার সাথে সম্পর্ক জোরদারের চেষ্টা করছেন, যার মধ্যে কানাডার পশ্চিম উপকূলে নতুন পাইপলাইন ও বড় অবকাঠামো প্রকল্প গড়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
মরগান স্বীকার করেন, যাদের লক্ষ্য কেবল ওটোয়ায় দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়ানো, তাদের জন্য এই আন্দোলন কার্যকর হয়েছে।
তবে তিনি যোগ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীরা আসবেন এবং যাবেন। আমরা আরেকটি বৈরী সরকারের থেকে মাত্র একটি নির্বাচন দূরে আছি।’
অন্যান্য গণভোটের প্রশ্নগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ?
তবে এই গণভোটটি আলবার্টার ক্ষোভ যে কানাডার ভেতরে থেকে সমাধান করা সম্ভব নয়- এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করারও সুযোগ দিতে পারে।
ব্যালটে স্বাধীনতার প্রশ্নটি ১০টি প্রশ্নের মধ্যে একটি মাত্র। অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে অস্থায়ী বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় প্রবেশাধিকার সীমিত করা এবং আলবার্টাকে নিজস্ব বিচারক নির্বাচনের সুযোগ দেয়া।
স্মিথ অন্য নয়টি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিতে উৎসাহিত করে যুক্তি দিয়েছেন যে, এটি ওটোয়ায় তার দর কষাকষির শক্তি বাড়াবে।
যদি ভোটাররা সেই প্রস্তাবগুলো সমর্থন করে কিন্তু ওটোয়া কোনো ছাড় দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে কুপারের মতে, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যুক্তি দেয়ার নতুন হাতিয়ার পাবে যে বিদ্যমান ব্যবস্থার মধ্যে অর্থপূর্ণ পরিবর্তন অসম্ভব।
কুপার যোগ করেন, ‘বাকি নয়টি প্রশ্নের ভেতরেই লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের গণভোটের বীজ।’
কোন বিষয়টি আন্দোলনকে টিকিয়ে রাখতে পারে?
তবে ভোট শেষে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবে থাকবে কি না, সে বিষয়ে সবাই একমত নন।
অধ্যাপক ওয়েসলি ব্যাখ্যা করেন, মানুষ নানা কারণে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। যদি মনে হয় স্বাধীনতা একটি বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা নয়, তবে এই কর্মীদের এক রাখার উপাদান কমে যেতে পারে এবং তারা অভিবাসনের মতো অন্যান্য রক্ষণশীল ইস্যুতে মনোযোগ দিতে পারে।
অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন, আলবার্টার এই আন্দোলন- যা কোনো যৌথ সাংস্কৃতিক পরিচয়ের চেয়ে অর্থনৈতিক ক্ষোভের ওপর বেশি দাঁড়িয়ে- তা মতো টিকে থাকতে পারবে কি না।
কয়েক সপ্তাহ আগেই ফরাসিভাষী কেবেক প্রদেশটিতে স্বাধীনতাপন্থী ‘পার্টি কেবেকোয়া’ নির্বাচিত হয়েছে, যারা ট্রাম্পের মেয়াদ শেষে স্বাধীনতার ওপর তৃতীয় গণভোটের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তবে মরগানের দাবি, আলবার্টারও একটি স্বতন্ত্র সংস্কৃতি রয়েছে, যা উন্নত জীবনের খোঁজে আসা মানুষের হাত ধরে তৈরি হয়েছে।
এমনকি আলবার্টাবাসীরা বিচ্ছেদ প্রত্যাখ্যান করলেও, তিনি বিশ্বাস করেন যে এই আন্দোলন অন্তত ওটোয়াকে তাদের ক্ষোভগুলো গুরুত্ব সহকারে নিতে বাধ্য করতে সফল হয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








