
চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে কিশোরদের, নিজেদের বা অন্যের ক্ষতি করার পরামর্শ দিয়েছে—এমন অভিযোগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আটটি অঙ্গরাজ্য। মামলাগুলোতে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করতে চ্যাটজিপিটিকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে এটি তাঁদের কথায় সায় দেয় এবং তাঁদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিন্তু এর ফলে কারো ভ্রান্ত বিশ্বাস আরো জোরালো হতে পারে, বিপজ্জনক আচরণে উৎসাহ মিলতে পারে, এমনকি নির্বিচার গুলিবর্ষণের মতো সহিংসতার পরিকল্পনা করতেও সহায়তা পেতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রয়টার্সের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে।
আইওয়া, কানসাস ও অ্যারিজোনাসহ আট অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলরা নিজ নিজ অঙ্গরাজ্যের আদালতে পৃথক মামলা করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, চ্যাটজিপিটির নিরাপত্তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করে ওপেনএআই ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছে। একই সাথে, বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিপন্ন করে প্রতিষ্ঠানটি জনদুর্ভোগের পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অঙ্গরাজ্যগুলোর এটি অন্যতম বড় সমন্বিত আইনি পদক্ষেপ। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই ওপেনএআই একের পর এক আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। এর আগে জুন মাসে ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রথম মামলা করেছিলেন।
মামলাগুলোতে আদালতের মাধ্যমে চ্যাটজিপিটির কাজের ধরন পরিবর্তনে ওপেনএআইকে বাধ্য করার আবেদন জানানো হয়েছে। মানুষের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে না পারলে নিজেকে উন্নত করতে সক্ষম এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল তৈরি থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে বিরত রাখার দাবিও জানিয়েছেন মামলাকারীরা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








