
কানাডার ফরাসি ভাষাভাষী প্রদেশ কুইবেকের প্রাদেশিক নির্বাচনে সোমবার (৫ অক্টোবর) বিচ্ছিন্নতাবাদী দল পার্টি কুইবেকোয়া জয় পেয়েছে।
দলটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কুইবেক কানাডা থেকে আলাদা হবে কি-না, সে বিষয়ে গণভোট আয়োজন করবে।
এই ফলাফল কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির জাতীয় ঐক্যের বার্তার জন্য একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে পার্টি কুইবেকোয়া প্রাদেশিক আইনসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে কানাডার সাথে কুইবেকের থাকা সমর্থনকারী ফেডারেলপন্থীদের জন্য ফলাফলটি কিছুটা স্বস্তিরও কারণ হয়েছে।
এরপরও পিকিউয়ের এই জয় কানাডার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে। একই সময়ে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধ ও কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত করার হুমকির মতো চাপের মুখে রয়েছে।
এর মাত্র দুই সপ্তাহ পর কানাডার তেলসমৃদ্ধ ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ আলবার্টায়ও একটি আলাদা ভোট হবে। সেখানে কানাডা থেকে আলাদা হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে কি-না, সে বিষয়ে ভোট নেয়া হবে।
এই নির্বাচনের ফলে পি কিউ নেতা পল সেন্ট-পিয়ের প্লামন্ডন ৪৯ বছর বয়সে কুইবেকের পরবর্তী প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছেন। তিনি তার নামের আদ্যক্ষর পিএসপিপি দিয়ে পরিচিত এবং পেশায় তিনি একজন আইনজীবী।
মন্ট্রিয়লে বিজয় উদযাপনের এক অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বসিত সমর্থকেরা বিখ্যাত বিচ্ছিন্নতাবাদী স্লোগান দেন—‘কুইবেক একটি দেশ।’
আংশিক ফলাফলে দেখা গেছে, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মোট ভোটের প্রায় ৩০ শতাংশ পেয়েছে। তবে কানাডার সাথে থাকার পক্ষে থাকা দলগুলোর মধ্যে ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ায় পিকিউয়ের জয় নিশ্চিত হয়েছে।
২৬ বছর বয়সী তেলশ্রমিক ফেলিক্স মারিনো বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘গণতন্ত্রে কানাডা থেকে আলাদা হওয়ার প্রশ্ন তোলার অধিকার আমাদের আছে। স্বাধীনতার গণভোটের বিরোধিতা করা মানে গণতন্ত্রের বিরোধিতা করা।’
সূত্র : বাসস
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








