
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ইবোলা টিকার প্রথম ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস এ তথ্য জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল ইতুরি প্রদেশের রাজধানী বুনিয়াতে ‘এরভেবো’ টিকা দেয়া হয়েছে।
‘এরভেবো’ টিকাটি মূলত ইবোলার বহুল প্রচলিত ‘জাইর’ স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত। বর্তমানে যে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, তা হলো ইবোলার ‘বুন্দিবুগিও’ স্ট্রেইন। এই নতুন ধরনটির বিরুদ্ধে ‘এরভেবো’ টিকা কোনো সুরক্ষা প্রদান করতে পারে কি না, তা যাচাই করতেই এই পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিকাল ট্রায়াল চালানো হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেছেন, ‘এই ট্রায়ালটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে যে, ‘বুন্দিবুগিও’ ভাইরাসের জন্য তৈরি কোনো টিকা কার্যকর কি না।’
তিনি আরো বলেন, ‘গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বে পরিচালিত এই প্রচেষ্টাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহায়তা করছে, যার লক্ষ্য হলো সমাধান খুঁজে বের করা এবং জীবন বাঁচানো।’
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গত মে মাসে ইবোলার ১৭তম এবং ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব শনাক্ত হয়। এরপর থেকে সেখানে নয় হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃতের সংখ্যা চার হাজার ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে ‘আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এটি সংস্থার সতর্কতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তর।
বর্তমানে পূর্ব, মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার চারটি দেশে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছে। মহাদেশটিতে ইবোলার যতগুলো প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, তার মধ্যে ভৌগোলিক বিস্তৃতির দিক থেকে এটিই সবচেয়ে বড়।
সূত্র : আল জাজিরা
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








