মালয়েশিয়ার বিদেশী কর্মী নিয়োগে বেস্টিনেটের উদ্ভাবিত নতুন এআই-ভিত্তিক সফটওয়্যার ‘ইউনিভার্সাল রিক্রুটমেন্ট অ্যাডভান্সড প্ল্যাটফর্ম’ বা ‘তুরাপ’ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। এই ডিজিটাল পোর্টালটির মাধ্যমে নিয়োগকর্তারা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি কর্মী খুঁজে পাবেন, যা অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রস্তাবনার বিষয়টি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী আর রামানান এই সিস্টেমটি গ্রহণে সরকারের ইতিবাচক অবস্থানের কথা নিশ্চিত করেছেন। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের আওতায় বেস্টিনেট ১২ বছরের একটি লাভজনক চুক্তি পেতে পারে। নতুন এই ব্যবস্থায় প্রতিটি বিদেশী কর্মীর আবেদনের জন্য কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে এক হাজার মার্কিন ডলার এবং কর্মীর এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ ফি নেয়ার সুযোগ থাকবে।
তবে এই নতুন সিস্টেম এবং বেস্টিনেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান নিয়ে মালয়েশিয়ার বর্তমান ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বেস্টিনেটের প্রধান আমিনুল ইসলাম। বলা হচ্ছে এটা আগের সিন্ডিকেটের মতই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড নিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়ার পুলিশ এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। গত বছর বাংলাদেশ পুলিশ তাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধও জানিয়েছিল। বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা ‘তুরাপ’ প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভার সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে।



