হাইকোর্টের ৬৩ বেঞ্চে রোববার থেকে বিচার শুরু

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বিন্যাস সম্পন্ন হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী আগামী রোববার থেকে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ৬৩টি বেঞ্চ গঠন করেছেন। একইসাথে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে ছুটিতে পাঠানো বিচারপতিদের মধ্যে এস এম মনিরুজ্জামানকে বিচারিক দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ দিকে, ঢাকার দুই সিটির জন্য পৃথক দুইজন পুলিশ কমিশনার নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নবগঠিত বেঞ্চগুলোতে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে। বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে উচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

বিচারিক দায়িত্বে ফিরলেন বিচারপতি মনিরুজ্জামান

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ছুটিতে পাঠানো ১২ জন বিচারপতির মধ্যে প্রথম হিসেবে বিচারিক দায়িত্বে ফিরলেন বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বেঞ্চ তালিকায় দেখা যায়, তাকে বিচারপতি দিহিদার কবীর মাসুমের সাথে একটি ডিভিশন বেঞ্চের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোনো প্রাথমিক সত্যতা বা আলামত খুঁজে না পাওয়ায় তাকে দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ভ্যাট ও কাস্টমস আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত এ বিচারপতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

ডিএমপি ভেঙে পৃথক ২ কমিশনার নিয়োগের রিট

রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো আধুনিক ও কার্যকর করতে ঢাকা মহানগর পুলিশকে (ডিএমপি) দুইভাগে বিভক্ত করে পৃথক দুইজন পুলিশ কমিশনার নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু জনস্বার্থে এ রিটটি দায়ের করেন।

রিটে যুক্তি দেখানো হয় যে, ঢাকা প্রশাসনিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিভক্ত হলেও পুলিশিং কার্যক্রম এখনও একক কমিশনারের অধীনে, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে জননিরাপত্তা নিশ্চিতে হিমশিম খাচ্ছে। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি ও দুই সিটি মেয়রসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদি করা হয়েছে এবং বর্তমান একক কাঠামোকে অসাংবিধানিক ঘোষণার আবেদন জানানো হয়েছে।