রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলাশহরে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোর গতি বেপরোয়া হয়ে উঠছে। রিকশাগুলো অলিগলি ছেড়ে প্রধান সড়কেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অদক্ষ ও নাবালক চালকেরা বেপরোয়া গতিতে চালাচ্ছে। এতে দুর্ঘটনা বাড়ছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যাটারিচালিত রিকশার সহজলভ্যতা দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি করছে। অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন গড়ে ওঠায় সেগুলো আমাদের বিদ্যুৎ খাতের ক্ষতি করছে। ফলে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে তীব্র লোডশেডিং হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, এদের সরাসরি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে উদ্ভুত সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে না। কারণ, ব্যাটারিচালিত রিকশা অনেক মানুষের জীবিকার উৎস। হঠাৎ করে চলাচল বন্ধ করলে চালক ও সংশ্লিষ্টদের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই নির্দিষ্ট রুট নির্ধারণ করে সেখানে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমতি দিতে হবে। সেইসাথে চালকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করতে হবে। প্রধান সড়কগুলোতে রিকশাগুলোর বেপরোয়া গতি ও দাপট নিয়ন্ত্রণে আনতে দরকার হলে আইনিব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করছি, অতি দ্রুত সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল সীমিত করুন। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মো: শাহরিয়ার সৌরভ
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া



