রবার্ট লুই স্টিভেনসনের সেই কালজয়ী ‘ট্রেজার আইল্যান্ড’ উপন্যাসের কথা মনে আছে? যেখানে একটি গুপ্তধনের মানচিত্রকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা, আর জিম হকিন্সরা দুর্গম পথে পাড়ি দিয়েছিল সেই লুকানো সম্পদের সন্ধানে। বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে ইরান যেন ঠিক তেমনই এক বিশাল ‘ট্রেজার আইল্যান্ড’-এর মালিক, যার বিপুল সম্পদ বিদেশের ব্যাংকে লুকানো আছে। কিন্তু ছোঁয়ার কোনো উপায় নেই।
জিম হকিন্স অন্তত জানত তার মানচিত্রটি আসল। কিন্তু ইরানের জন্য এই সম্পদ উদ্ধারের পথটি কেবল দুর্গমই নয়, বরং চরম অনিশ্চয়তায় ঘেরা। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা, অন্যদিকে রুদ্ধ হয়ে থাকা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ। ইরান-আমেরিকা দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরুর প্রাক্কালে এখন একটাই প্রশ্ন—বিদেশের মাটিতে আটকে থাকা ইরানের সেই ১০০ বিলিয়ন ডলার কি শেষ পর্যন্ত মুক্তি পাবে?
আল জাজিরার বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রিয়াঙ্কা শঙ্কর তার এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে তুলে ধরেছেন এই উত্তেজনাকর সংকটের আদ্যোপান্ত।
সেই প্রেক্ষাপটেই দেখব কীভাবে তেলের টাকা আর আন্তর্জাতিক কূটনীতি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমনের লক্ষে যখন আলোচনার তোড়জোড় চলছে, ঠিক তখনই তেহরানের পক্ষ থেকে একটি শর্ত পাহাড়ের মতো সামনে দাঁড়িয়েছে। আর তা হলো—বিদেশের মাটিতে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা। এই টাকা কোনো অনুদান বা সাহায্য নয়, বরং তেলের বিনিময়ে ইরানের অর্জিত নিজস্ব সম্পদ। দেশটির এ সম্পদ বছরের পর বছর ধরে বিদেশের ব্যাংকে অলস পড়ে আছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে জিম্মি সঙ্কট তৈরি হওয়ার পর থেকেই ওয়াশিংটন আর তেহরানের সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরে। সেই থেকেই শুরু হয় নিষেধাজ্ঞার রাজনীতি। এরপর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রকল্পের অজুহাতে সেই নিষেধাজ্ঞার জাল আরো বিস্তার করা হয়েছে। এর ফলে ইরান নিজের উপার্জিত অর্থও নিজের দেশে আনতে পারছে না।
গত ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুদ্ধবিরতি আলোচনার ঠিক আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকেরকালিবাফ এক বার্তায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সম্পদ মুক্তি না দিলে আলোচনা সামনে বাড়বে না। এটি কোনো মামুলি দাবি নয়, বরং ইরানের সাধারণ মানুষের টিকে থাকার লড়াই। যদিও ওয়াশিংটন এখনো এই দাবি পুরোপুরি মেনে নেয়ার খবর অস্বীকার করে আসছে, কিন্তু পর্দার আড়ালে বড় ধরনের কোনো লেনদেনের তোড়জোড় যে চলছে, তা বিশ্লেষকদের কথায় স্পষ্ট।
ইরানের এই জব্দকরা বা ‘ফ্রোজেন’ অ্যাসেটের সঠিক পরিমাণ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও বিশেষজ্ঞ এবং ইরানি সরকারি সূত্র মতে, এর পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের সিনিয়র ফেলো ফ্রেডেরিক স্নাইডার আল জাজিরাকে জানান, এই অর্থ ইরানের বার্ষিক হাইড্রোকার্বন আয়ের প্রায় তিন গুণ। দশকের পর দশক নিষেধাজ্ঞায় ধুঁকতে থাকা একটি দেশের জন্য এই অঙ্কটা বিশাল। বর্তমান বাস্তবতায় ইরানের এই আটকে থাকা বিপুল সম্পদ যেন সত্যিই এক আধুনিক গুপ্তধনের দ্বীপ। জিম হকিন্স যেমন জানত সম্পদ কোথাও না কোথাও লুকানো আছে কিন্তু তা কবজা করা যাচ্ছিল না, ইরানের অবস্থাও এখন অনেকটা তাই।
বিদেশের ব্যাংকে এই বিশাল সম্পদের বণ্টন ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইরান আসলে বিশ্বজুড়ে তার পাওনাদার ছড়িয়ে রেখেছে। চীন বর্তমানে আটকে রেখেছে সবচাইতে বড় অংশ যা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার। ভারত ৭ বিলিয়ন, ইরাক ৬ বিলিয়ন আর কাতার সেই ৬ বিলিয়ন ডলারকে একরকম পাহারা দিচ্ছে যা দক্ষিণ কোরিয়া থেকে পাঠানো হলেও আবারো মার্কিন চাপে আটকে গেছে। এমনকি আমেরিকার নিজস্ব ব্যাংকেও ২ বিলিয়ন ডলারের মতো ইরানি অর্থ আটকে আছে। জাপানের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশও প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার আটকে রাখতে বাধ্য হয়েছে কেবল আমেরিকার কড়া নিষেধাজ্ঞার ভয়ে। ইউরোপীয় দেশ লুক্সেমবার্গেও পড়ে আছে ১.৬ বিলিয়ন ডলার।
তবে আমেরিকার সাবেক ট্রেজারি সেক্রেটারি জ্যাকব লিউ মনে করেন, সব নিষেধাজ্ঞা উঠলেও ইরান এই অর্থের অর্ধেকও হাতে পাবে না কারণ বড় একটা অংশ আগেই বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ বা ঋণ পরিশোধের জন্য আইনগতভাবে বরাদ্দ হয়ে আছে। বর্তমানে তেহরান‘আস্থার পরিবেশ’ তৈরির প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে’ অন্তত ৬ বিলিয়ন ডলার অবমুক্ত করার দাবি জানাচ্ছে।
কিন্তু কেন এই সম্পদ আটকে রাখা হয়? সহজ ভাষায়, যখন কোনো ব্যক্তি বা দেশের সম্পত্তি অন্য কোনো দেশের কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে আটকে দেয় এবং মালিককে তা ব্যবহার বা বিক্রি করতে বাধা দেয়, তাকেই সম্পদ ফ্রিজবাজব্দ করা বলা হয়। সাধারণত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অর্থপাচার বা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্পদজব্দ করা হয়। কিন্তু সমালোচকরা বলেন, পশ্চিমা বিশ্ব এটি কেবল তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমানোর মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।
এখানে একটি চরম দ্বিমুখী নীতি লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা ইসরাইলের কথা বলেন। ইসরাইলের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘন, অবৈধ যুদ্ধ বা বর্ণবাদের অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ থাকলেও কোনো পশ্চিমা দেশ কখনোই তেলআবিবের সম্পদ ফ্রিজ করার সাহস দেখায়নি। অথচ ইরান, রাশিয়া বা কিউবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম সবসময় অত্যন্ত কড়াকড়ি। এটিই আন্তর্জাতিক রাজনীতির সেই নিষ্ঠুর রূপ যেখানে আইন সবার জন্য সমান নয়।
ইরানের ওপর প্রথম সম্পদ জব্দ করার এই খড়গ নেমে এসেছিল ১৯৭৯ সালের নভেম্বরে। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার বলেছিলেন, ইরান আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক অসাধারণ হুমকি। সেই থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থা মাঝেমধ্যে কিছুটা শিথিল হলেও কোনো না কোনো অযুহাতে আবারও সব রুদ্ধ করে দেয়া হয়। ১৯৮১ সালে আলজিয়ার্স চুক্তির মাধ্যমে কিছু টাকা মুক্তি পেয়েছিল ঠিকই, কিন্তু দুই দেশের সম্পর্কে যখনই নতুন করে টানাপড়েন বা ফাটল ধরে, তখনই আবারো সব লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
২০১৫ সালে ওবামার আমলে হওয়া পরমাণু সমঝোতা বা জেসিপিওএ ইরানের জন্য কিছুটা আশার আলো নিয়ে এসেছিল। ইরান তখন তার সম্পদের বড় একটা অংশ হাতে পেয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে একতরফাভাবে সেই চুক্তি ছিঁড়ে ফেলেন এবং ইরানকে আবারো একঘরে করে দেন। এরপর থেকেই ইরানের অর্থনীতির রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখন কঠিনঅবস্থায়পড়েছে। মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী আর স্থানীয় মুদ্রা রিয়াল-এর মান তলানিতে ঠেকেছে। এই ১০০ বিলিয়ন ডলার অবমুক্ত হওয়া মানে ইরানের জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এক ঝটকায় ফিরে পাওয়া। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিশেষজ্ঞ রোক্সানা ফরমানফারমাইয়ান আল জাজিরাকে বলেন, এই টাকা পেলে ইরান তার ধুঁকতে থাকা বিদ্যুৎ গ্রিড, পানি ব্যবস্থা এবং তেল খনিগুলোর আধুনিকায়ন করতে পারবে।
সবচেয়ে বড় কথা, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের ধকল সামলে দেশ পুনর্গঠনে এই অর্থের কোনো বিকল্প নেই। এটি সচল হলে দেশের মানুষের সাথে সরকারের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটবে এবং চরম সংকটে থাকা দ্রব্যমূল্য কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। এছাড়াও নিষেধাজ্ঞার কারণে সৃষ্ট কালোবাজারি আর মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো সম্ভব হবে। এই টাকার জন্য ইরানের হাহাকার ও লড়াই মনে করিয়ে দেয় মার্ক টোয়েনের অমর চরিত্র ‘হাকলবেরি ফিন’-এর কথা। হাকলবেরি ফিন ছিল সমাজের চাপিয়ে দেয়া শিকল ভেঙে পালানো এক কিশোর, যে স্বাধীনতার খোঁজে মিসিসিপি নদীতে একটি ভেলায় করে নিরুদ্দেশ যাত্রায় বেরিয়েছিল। তার চারদিকে ছিল শত প্রতিকূলতা, সমাজের আইন আর নিষ্ঠুর মানুষের তাড়া। হাকলবেরি ফিন যেমন বারবার তীরে ভিড়তে চেয়েও বিপদের আশঙ্কায় আবার নদীতে ভেসে পড়েছে, ইরানও তেমনি তার ন্যায্য পাওনা ফিরে পাওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতির উত্তাল নদীতে ভেসে বেড়াচ্ছে। তফাৎ শুধু এটাই যে, হাকলবেরি ফিন তার জীবনের মুক্তি খুঁজে পেয়েছিল মিসিসিপি নদীর বিশাল স্রোতে, আর ইরানকে তার অর্থনৈতিক মুক্তি খুঁজে পেতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং সিস্টেমের এক জটিল গোলকধাঁধায়।
২০২৩ সালে একবার বন্দী বিনিময়ের মাধ্যমে ৬ বিলিয়ন ডলার অবমুক্ত করার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলার পর জো বাইডেন প্রশাসন আবারো সব আটকে দেয়। এই যে একবার টাকা পাওয়ার আশা জাগানো আর পরক্ষণেই তা কেড়ে নেয়া—এটি ইরানের সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। এমনকি জটিলক্যানসার বা হার্টের ওষুধের জন্য সাধারণ মানুষকে হাহাকার করতে হচ্ছে। অথচ বিদেশের ব্যাংকে পড়ে থাকা এই টাকাগুলো তাদেরই উপার্জিত।
ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্কের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ক্রিস ফেদারস্টোন মনে করেন, এই সম্পদ অবমুক্ত করা হবে আমেরিকার পক্ষ থেকে একটি বড় কূটনৈতিক সংকেত। এর মাধ্যমে বোঝা যাবে আমেরিকা ইরানের ওপর থেকে চাপ কমাতে চায় কি না। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অনিশ্চিত এবং অভাবনীয় সব সিদ্ধান্তের কারণে মিত্র বা শত্রু—কোনো পক্ষই নিশ্চিত হতে পারছে না যে শেষ পর্যন্ত পানি কোন দিকে গড়াবে। ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদে তার কঠোর অবস্থান এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। তিনি ক্ষমতায় থাকার কারণে এই সম্পদ উদ্ধারের লড়াই যে আগের চেয়েও অনেক বেশি কঠিন হবে, তা বলাই বাহুল্য।
আসন্ন ২২ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই টানাপড়েন নতুন কোনো মোড় নেয় কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তেহরান থেকে ওয়াশিংটন—সবার নজর এখন বিদেশের ব্যাংকে জিম্মি থাকা ওই ১০০ বিলিয়ন ডলারের দিকে। ইরান এখন তার শিল্পকারখানা আধুনিক করতে চায়, বিদেশের উন্নত প্রযুক্তি দেশে আনতে চায় এবং সর্বোপরি নিজের ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গাকরতে চায়। কিন্তু আমেরিকার হাতে থাকা ‘রিমোট কন্ট্রোল’ কি সেই অনুমতি দিবে? ‘ট্রেজার আইল্যান্ড’ উপন্যাসের শেষে জিম হকিন্সরা যেমন সফলভাবে সম্পদ নিয়ে ফিরতে পেরেছিল, ইরান কি পারবে তার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘গুপ্তধন’ উদ্ধার করে ভগ্নপ্রায় অর্থনীতিকে পুনর্জীবিত করতে? নাকি এই সম্পদ চিরকাল বিদেশের ব্যাংকের ডিজিটাল ভল্টেই বন্দি থেকে যাবে? আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই দাবা খেলায় আপাতত চাল তেহরানের কোর্টে থাকলেও বিজয়ী হওয়ার চাবিকাঠি এখনো ওয়াশিংটনের হাতেই বন্দি। ইরানের সাধারণ মানুষের জন্য এটি কেবল ডলারের হিসাব নয়, এটি তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার এবং একটু ভালোভাবে বাঁচার লড়াই। যে লড়াইয়ে জয়ী হতে হলে কেবল সাহস নয়, চরম ধৈর্যেরও পরীক্ষা দিতে হবে।
শেষ পর্যন্ত এই রুদ্ধশ্বাস নাটকের যবনিকা কীভাবে পড়ে, তা দেখার জন্য পুরো বিশ্ব এখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে। যদি এই অর্থ মুক্তি পায়, তবে হয়তো মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন ভোরের সূচনা হবে, আর যদি তা না হয়, তবে ‘ট্রেজার আইল্যান্ড’-এর সেই গুপ্তধনের মতোই এই ১০০ বিলিয়ন ডলার হয়ে থাকবে এক অধরা স্বপ্ন। যা কেবল কাগজে-কলমে থাকবে, কিন্তু ক্ষুধার্ত মানুষের পেটে অন্ন যোগাতে পারবে না। তাই সামনের দিনগুলো কেবল আলোচনার নয়, বরং ইতিহাসের গতিপথ নির্ধারণেরও সময়। অমীমাংসিত এই লড়াইয়ের পরিণতি কী হবে, তার উত্তর হয়তো খুব দ্রুতই পাওয়া যাবে।



