সাগরে নৌবাহিনীর অভিযান

মিয়ানমারে পাচারকালে ৮৫০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই বোটসহ আটক ১১

বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ‘৫৮ দিনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দায়িত্ব পালন করছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো
পাচার করতে থাকা মালামালসহ বোট জব্দ করা হয়েছে
পাচার করতে থাকা মালামালসহ বোট জব্দ করা হয়েছে |সংগৃহীত

মিয়ানমারে পাচারকালে সাড়ে ৮০০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই বোটসহ ১১ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। রোববার (১৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১১টার দিকে সেন্টমার্টিনের অদূরে সমুদ্র এলাকা থেকে এসব সিমেন্ট জব্দ এবং পাচারকারীদের পাকড়াও করা হয়।

নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ‘৫৮ দিনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দায়িত্ব পালন করছে। সেইসাথে সমুদ্রে অপরাধ দমন ও চোরাচালান প্রতিরোধের লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সমুদ্রে টহল কার্যক্রমে নিয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ‘সমুদ্র অভিযান’ সেন্টমার্টিনের অদূরে সমুদ্র এলাকা থেকে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের বোট আটক করে।

এতে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রাত ১১টায় সেন্টমার্টিন লাইটহাউজ থেকে প্রায় ১২ মাইল দূরে একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের বোট শনাক্ত করে নৌবাহিনীর টহলরত জাহাজ ‘সমুদ্র অভিযান’। তৎক্ষণাৎ নৌবাহিনী জাহাজ কাঠের বোটের অবস্থানে পৌঁছে ‘এফবি আব্দুর রহমান-২’ নামক বোটটিকে আটক করে। এ সময় আটককৃত বোটে তল্লাশী করে ৮৫০ বস্তা ডায়মন্ড সিমেন্ট জব্দ করা হয় এবং পাচারের সাথে সংশ্লিষ্ট ১১ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। বোটসহ জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

জব্দকৃত বোট, উদ্ধারকৃত সিমেন্ট এবং আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সূত্র জানায়।

বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে বলেও সূত্র জানায়।