কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেছেন, আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বর্তমান সময়ে আমাদের প্রয়োজন যোগ্য মানুষ। আজ থেকেই নিজের যোগ্যতা বৃদ্ধির পেছনে মনোনিবেশ করা উচিত। লক্ষ নির্দিষ্ট করে নিজেকে তৈরি করতে হবে। আর সেই স্বপ্নকে লালন করে দেশের জন্য যোগ্য নাগরিক তৈরি করতে কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম বদ্ধ পরিকর।
তিনি বলেন, আমরা একটি মেধাবী প্রজন্ম চাই। যারা আগামীতে দেশ ও জাতিকে নেতৃত্ব দেবে। কিশোরকণ্ঠ আদর্শবান ও সুনাগরিক গড়ে তুলতে কাজ করছে। এর ধারা অব্যাহত থাকবে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের পদচারণা থাকতে হবে। তাহলে আমরা সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দেশের সর্ববৃহৎ শিশু-কিশোর সংগঠন কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম সিলেট মহানগর আয়োজিত ‘কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা’২৫ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি ওই কথা বলেন।
কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম সিলেট মহানগরের উপদেষ্টা ডা: হোসাইন আহমদের সভাপতিত্বে, ফোরামের মহানগর পরিচালক মো: আহসান হাবিব ও সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম ফেরদৌসের যৌথ সঞ্চালনায় নগরীর জেলা শিল্পকলা অ্যা্কাডেমি মিলনায়তনে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, কিশোরকন্ঠ ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক তানজীর হোসাইন জুয়েল, পাঠক ফোরাম সিলেট মহানগরের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সাজু।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম সিলেট মহানগরের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক আফসার উদ্দিন কামরান, স্কুল প্রতিনিধি তৌহিদুল ইসলাম, ফাহাদ হোসাইন, রেজাউল করিম ও শাহাদত হোসেন নাসিম প্রমূখ।
উল্লেখ্য, এবার কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় সিলেট শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৫৫০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে থেকে ২৮১ জনকে বৃত্তি দেয়া হয়। যার মধ্যে ট্যালেন্টপুল গ্রেডে ৫০ জন, সাধারণ গ্রেডে ১০১ জন এবং বিশেষ গ্রেডে ১৩০জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ, সনদপত্র ও ক্রেস্ট উপহার তুলে দেন।



