বাতাসে ধূলিকণার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সিলেট নগরীর বায়ুমান সংবেদনশীল অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে পৌঁছেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ১টা পর্যন্ত বায়ুমান সূচক দাঁড়ায় ১১০, যা স্বাস্থ্যঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।
বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচকের তথ্য অনুযায়ী, বাতাসে সূক্ষ্ম ধূলিকণার উপস্থিতিই এ অবস্থার প্রধান কারণ। একইসাথে বাতাসের গতি কম থাকায় দূষিত কণাগুলো সহজে ছড়িয়ে যেতে পারছে না, ফলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দূষণের মাত্রা বেড়েছে।
বায়ুদূষণের প্রধান উপাদান হিসেবে শনাক্ত হয়েছে সূক্ষ্ম ধূলিকণা, যার মাত্রা ৩৯.২ মাইক্রোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার। এই মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার নিরাপদ সীমার তুলনায় বেশি এবং দীর্ঘ সময় এ অবস্থায় থাকলে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
শুক্রবার সিলেটে তাপমাত্রা ছিল ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের গতি ঘণ্টায় ০-৩ কিলোমিটারের মধ্যে এবং আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৪০ শতাংশ। বৃষ্টিপাত না থাকায় ধূলিকণা বাতাসে ভেসে থেকে পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করছে বলে মনে করছে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সটি।
এখানে বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান করলে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও চোখ জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া, বাইরে গেলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করা এবং সংবেদনশীল ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



