বজ্রপাত থেকে কৃষকদের সুরক্ষায় ৩ নির্দেশনা

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং গ্রামাঞ্চলে নির্বিচারে বড় গাছ কেটে ফেলার কারণে বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ছে। গাছের নিচে আশ্রয় না নিয়ে পাকা স্থাপনায় আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বজ্রপাত
বজ্রপাত |ইন্টারনেট

দেশে বজ্রপাতে মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে কৃষকদের সুরক্ষায় তিনটি নির্দেশনা পালনের পরামর্শ দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ)।

নির্দেশনাগুলো হলো খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ দেখলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়া, বৃষ্টির সময় কোনো অবস্থাতেই গাছের নিচে আশ্রয় না নেয়া এবং মাঠে কাজের সময় পায়ে জুতা ব্যবহার করা।

আজ শনিবার এসএসটিএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংগঠনটির তথ্যমতে, দেশে বজ্রপাতে মারা যাওয়াদের মধ্যে বেশিরভাগই কৃষক। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল বজ্রপাতে ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটে। চলতি বছর এ পর্যন্ত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশিভাগ মাঠে কর্মরত কৃষক।

মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিল এলাকায় সরেজমিনে শতাধিক কৃষকের মাঝে বজ্রপাত বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে এসএসটিএফ। এ সময় কৃষকদের নিরাপদ থাকার বিভিন্ন কৌশলও শেখানো হয়।

এসএসটিএফের একাধিক প্রতিনিধিদল মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গিয়ে ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষকদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে এসব পরামর্শ দেয়। এ সময় কৃষকদের মাঝে কোমল পানীয়, শরবত ও স্যালাইন বিতরণ করা হয়।

সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা, গবেষণা সেলের প্রধান আব্দুল আলীম এবং যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক আহমেদসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বলেন, মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ জরুরি। পাশাপাশি মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত নিয়মিত বজ্রপাত বিষয়ে সচেতনতা কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং গ্রামাঞ্চলে নির্বিচারে বড় গাছ কেটে ফেলার কারণে বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ছে। গাছের নিচে আশ্রয় না নিয়ে পাকা স্থাপনায় আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

সূত্র : বাসস