মৌসুমের প্রায় পুরোটা সময় মাঠের বাহিরেই ছিলেন রোমেলু লুকাকু। বছরের শুরুতে ফিরে নাপোলির হয়ে কয়েকটা ম্যাচ মিলিয়ে ঘণ্টাখানেক খেললেও ফের ছিটকে যান। এমনকি এখনো মাঠের বাহিরেই তিনি।
তবে এই লুকাকোকে নিয়েই ‘বাজি’ ধরেছে বেলজিয়াম। বছরে মাত্র ঘণ্টাখানেক খেলা দেশের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে নিয়েই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে বেলজিয়াম।
দেশের হয়ে লুকাকু সবশেষ খেলেছেন গত জুনে, বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ওয়েলসের বিপক্ষে ৪-৩ গোলে জয়ের ম্যাচে। গত এক বছরে আর জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানো হয়নি তার।
এমনকি বেলজিয়ামের হয়ে ১২৪ ম্যাচে ৮৯ গোল করা লুকাকুকে নিয়ে দল ঘোষণার সময়ও আশার বাণী শুনাতে পারেননি বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া। তিনিও মানছেন এই ফরোয়ার্ড এখন খেলার মতো অবস্থায় নেই।
গার্সিয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘রোমেলু চোট থেকে সেরে উঠেছে, কিন্তু সে খেলার মতো অবস্থায় নেই। আমি নিশ্চিত নই ও শুরু থেকে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো খেলতে পারবে কি না। তবে লুকাকু আমাদের সেরা স্ট্রাইকার ও দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।’
এদিকে সম্প্রতি চোট কাটিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের শুরুর একাদশে ফেরা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াও ফিরেছেন জাতীয় দলে। বলা যায় শক্তিশালী ২৬ সদস্যদের দল নিয়েই নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে বেলজিয়াম।
লুকাকো, কোর্তোয়াসহ কেভিন ডি ব্রুইনা ও আক্সের উইটসেল টানা চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন বেলজিয়ামের জার্সিতে।
৪৮ দলের বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপে বেলজিয়ামের সাথে আছে মিসর, ইরান ও নিউজিল্যান্ড।
বেলজিয়াম স্কোয়াড
গোলকিপার : থিবো কোর্তোয়া, মাইক পেন্ডার্স, সেনে ল্যামেন্স।
ডিফেন্ডার : টিমোথি কাস্তানিয়া, জেনো ডেবাস্ট, মাক্সিম ডি কুইপার, কোনি ডি উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেচেল, থমাস মুনিয়ের, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সিস, আর্থার থিয়েট।
মিডফিল্ডার : কেভিন ডি ব্রুইনা, আমাদু ওনানা, ইউরি তিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, নিকোলাস রাস্কিন, আক্সেল উইটসেল।
ফরওয়ার্ড : চার্লস ডি কেটেলিয়ারে, জেরেমি ডকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, ডিয়েগো মোরেইরা, অ্যালেক্সিস সেলেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড।



