উড়তে থাকা আর্সেনালের ছন্দপতন হয় হঠাৎ করেই। মৌসুমে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠা গানাররা দেখতে থাকে মুদ্রার উল্টা পিঠ। যেন নজর লেগেছিল দলটার।
অবশ্য গানারদের পারফরম্যান্স ছিল নজর লাগার মতোই। চলতি মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে প্রথম ৪৯ ম্যাচের মাত্র ৩টিতে হেরেছিল দলটি।
তবে এরপর শেষ ৬ ম্যাচের মধ্যে ৪টিতেই পরাজিত হয় গানাররা। এমনকি ২০২৩ সালের পর এই প্রথম টানা দু’টি লিগ ম্যাচে হারের তিক্ত স্বাদও পেয়েছে তারা।
প্রিমিয়ার লিগে টানা দুই ম্যাচ হার চাপে ফেলে দিয়েছে আর্সেনালকে। শিরোপা জয়ের দৌড়ে এগিয়ে থাকা দলটা পথ হারিয়ে বসে। দেখা দেয় ভুতুড়ে শঙ্কা।
২০২৩ ও ২০২৪ সালেও শিরোপা দৌড়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত সিটির কাছে ট্রফি খুইয়েছিল আর্সেনাল। এবারো তাদের জোড়া হারের সুযোগ নিয়ে লড়াইয়ে ফিরেছে সিটি।
তবে স্বস্তির খবর হলো, জয়ের ধারায় ফিরেছে আর্সেনাল। শনিবার রাতে এবারেচি এজের একমাত্র গোলে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা।
নবম মিনিটেই আর্সেনালকে কাঙ্ক্ষিত গোলটি এনে দেন এজে। কর্নারের পর কাই হাভার্টজের পাস বক্সের বাইরে পেয়ে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।
এর আগে তারা সবশেষ জিতেছিল গত ১৪ মার্চ, প্রিমিয়ার লিগে এভারটনের বিপক্ষে। তবে এই জয়ে আপাতত ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ফিরেছে আর্সেনাল।
যদিও গানারদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে সিটি। ৩৪ ম্যাচে ২২ জয় ও সাত ড্রয়ে আর্সেনালের পয়েন্ট যেখানে ৭৩। সেখানে এক ম্যাচ কম খেলে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে সিটি।
সিটির হাতে একটি ম্যাচ বেশি থাকায় শিরোপার ভাগ্য এখনো তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।



